প্রাণীবিজ্ঞানে সাম্মানিক স্নাতক,শিক্ষাবিজ্ঞান ও বাংলায় স্নাতকোত্তর, বি.এড.। শিক্ষকতাকে তিনি নিছক পেশা না ভেবে অনেক বেশি কিছু ভাবতে ভালোবাসেন। অজস্র কবিতা,গল্প,প্রবন্ধ,আলেখ্য,সমালোচনামূলক লেখা,কয়েকটি নাটক এবং একটি অসম্পূর্ণ উপন্যাস। তাঁর বেশিরভাগ লেখাই দেশ-বিদেশের অজস্র নামি ও অনামি পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত।

একুশের সরগম – ২

সা ||
সারাবেলা আলোর খেলা বর্ণমালার দিন
মুখ চেনা নয় নামটি চিনি একুশে-রঙিন।
রে ||
রেখেছিল মায়ের ভাষা বুকের ভেতর যারা
পথের উপর রক্ত দিয়ে আখর লেখে তারা।
গা ||
গায়ের জোরে কণ্ঠ চেপে ভাবলো যারা জয়
দমিয়ে দেবার পিছে ছিল শাসকদলের ভয়।
মা ||
মায়ের ডাকে সাড়া দিল আওয়াল অহি শফি
তাদের সাথে রক্ত দিল সালাম বরকত রফি।
পা ||
পাতা ঝরা শুরুর মাসে নানান মুখী হাওয়া
অবলীলায় দৃপ্ত পায়ে সাজিয়ে দিল যাওয়া।
ধা ||
ধামা ধরা জানে না যে কিশোর তরুণ মন
চাপিয়ে দিলে দেয় সে ছুঁড়ে অসম্মানের ধন।
নি ||
ব্যথায় নীরব কালো রাতে চাঁদের চোখে জল
থমকে যাওয়া নিথর সময় নিবাক ছলছল।
সা ||
সারাবছর ভুলেই থাকি নানান সুখে দুখে
একুশ এলেই প্লাবন জাগে মরানদীর বুকে।