লিখেছেন – প্রজ্ঞা

জানিনা কি লিখব,কিভাবে লিখব,এমন একটা বিষয়ে লিখতে গিয়ে পেনসহ পুরো শরীরটাই কম্পনরত।কে কবে ভাবতে পেরেছিল  তুমি এভাবে নিঃশব্ধে কাউকে না বলে চলে যাবে!
রুপালি পর্দায়  আত্মহত্যার বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়ে যে যুব সমাজকে জীবনের অনুপ্রেরণা যোগায়,বাস্তব জীবনে তাকে এতটা কাপুরুষতা যে মানায় না “মনসুর”।
“সরফরাজ” তো নিজের ভালোবাসা কে চিরকালের মতন হারিয়েও বিদেশে দিব্যি বেঁচে ছিল,তবে তুমি এমন কেন করলে?
মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবন কাহিনী চোখের সামনে জীবন্ত করে তুলেছে যে তুমি আজ সেই তুমি ই কিনা অবসাদের স্বীকার হয়ে নিজেকে বিলীন করে দিলে মহাশূন্যে!
সেই অদম্য জেদ ,বার বার ভেঙে পড়ার পরেও উঠে দাঁড়ানো। কোথায় গেল তোমার শেখানো সেই সব শিক্ষা!
হাজারো অভিমান,কান্না দুঃখ সব মিলিয়ে সকলে আজ একেবারে অনুভূতিহীন।চলে গিয়ে  বুঝিয়ে দিলে ২০২০ র দানবীয় রূপটা আরো কত ভয়ানক হতে চলেছে।  জানো , নিস্তবধতায় ভরিয়ে তুলছো গোটা দেশকে।
মুখের হাসিটা চোখের সামনে এখনও ভাসছে বার বার।তোমার অনেক প্রশ্নের জবাব দেওয়া যে এখনও বাকি!
“সাকসেস কে বাদ কা প্লান সাব কে পাস হে
লেকিন আগার গালতি সে ফেল হো গেয়ে ,
তো ফেল ই সে ক্যাইসে ডিল কার না হে!”
এ যে আজ বড়ই যুক্তিহীন। যার হাত ধরে জীবনে বাঁচার এক অনুপ্রেরণা পেলাম সেই তো আজ অন্য পথের পথিক হয়ে সব মিথ্যে করে দিয়ে চলে গেল।
কোথায় সেই প্রাণবন্ত অন্নি যে বলেছিল আত্মহত্যা সবকিছুর সমাধান হতে পারে না! ছিছোড়ের সেই অনিরুদ্ধ পাঠক মন কেড়েছিল ছোট থেকে বড় সকলের। তার প্রত্যেকটা কথা বুঝিয়েছিল জীবনের এক সুন্দর মানে।
সেই যে আজ বড়ো অজানার দেশে। এই ভাবে জীবনের সব শিক্ষা মিথ্যা করে তুমি চলে যেতে পারো না, পারো না……..
সত্যি এ ভাবেও চলে যাওয়া যায়….!