জন্ম ২মার্চ ১৯৫২, উত্তর প্রদেশের কানপুর শহরে। মা, অনিলা গোস্বামী। বাবা, প্রদ্যোত চৌধুরী। ৫ বছর বয়স থেকে হাওড়ার শিবপুরের বাসিন্দা। সম্পূর্ণ গ্রন্থপঞ্জী – কাব্যগ্রন্থ : কলম্বাসের জাহাজ [প্রথম প্রকাশ: ১৯৭৭, দ্বিতীয় সংস্করণ: রাবণ, কলকাতা, ২০১৬], হননমেরু [উলুখড়, হাওড়া, ১৯৮০], পৌত্তলিক [উলুখড়, হাওড়া,১৯৮৩], অমর সার্কাস [আপেক্ষিক, হাওড়া, ১৯৮৯], চক্রব্যূহ [আপেক্ষিক, হাওড়া, ১৯৯১], নদীকথা [যুক্তাক্ষর, হাওড়া, ১৯৯৭], আমি আলো অন্ধকার [অফবিট, কলকাতা, ১৯৯৯], সাঁঝের আটচালা [কীর্তিনাশা, কলকাতা, ২০০২], আধপোড়া ইতিহাস [কীর্তিনাশা,পুরুলিয়া, ২০০৪], অক্ষরশরীরে মহামাত্রা পাব বলে [কীর্তিনাশা, পুরুলিয়া, ২০০৬], আখেরি তামাশা [ছোঁয়া,কলকাতা, ২০১৩], ঐতরেয় [রূপকথা, ক্যানিং, ২০১৩], উজানি কবিতা [মনফকিরা, কলকাতা, ২০১৪], ধ্যানী ও রঙ্গিলা [চৈতন্য, সিলেট, ২০১৫], বনপর্ব [সংবেদ, ঢাকা,২০১৬], কে বলে ঈশ্বর গুপ্ত? [ধানসিড়ি, কলকাতা, ২০১৬], বাক্যের সামান্য মায়া [ভাষালিপি, কলকাতা, ২০১৭], রাক্ষসের গান [চৈতন্য, সিলেট, ২০১৭], ইতস্তত কয়েক কদম [কাগজের ঠোঙা, কলকাতা, ২০১৮], বাজিকর আর চাঁদবেণে [পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি., ঢাকা, ২০১৮]। গদ্যগ্রন্থ : গরুর রচনা [বইয়ের দোকান, ঢাকা, ২০১২ (ই-বুক)], খেয়া: এক রহস্যময় বিপরীতবিহারের ঝটিকালিপি [কুবোপাখি, কলকাতা, ২০১৭], বহুবচন, একবচন [বইতরণী, কলকাতা, ২০১৮], সময়পরিধি ছুঁয়ে [ঐহিক, কলকাতা, ২০১৮], অবাক আলোর লিপি [অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, দিল্লি, ২০১৯]। কবিতাসঙ্কলন : নির্বাচিত কবিতা [সংবেদ, ঢাকা, ২০১০] কবিতাসংগ্রহ : [প্রথম খণ্ড, রাবণ, কলকাতা, ২০১৭]। কবিতা ও নিবন্ধের পাশাপাশি তিনি লিখেছেন কিছু নাটক ও নাট্যকাব্য, যেগুলি এখনও অগ্রন্থিত। কলকাতার নাট্যদল নান্দীকার মঞ্চস্থ করেছে তাঁর রূপান্তরিত নাটক হননমেরু (১৯৮৬)। অনুবাদ করেছেন মোহন রাকেশের হিন্দি নাটক আষাঢ়ের এক দিন। সম্পাদিত ছোটকাগজ (একক/যৌথ) –অভিমান, যুক্তাক্ষর, কীর্তিনাশা।

আরবচৈত্রের দিন

১.

ভাবিতে হয়
একটি ঝাপসা পুঁথির কথা
ফাটিয়া যাওয়া কোমল বুদ্বুদ
বালিকে ঘিরিয়া থাকে
দরিয়া ও পাহাড়
নগ্ন উভয়েই
রৌদ্র ও উটের কুঁজ
পাকাইয়া উঠে
যাত্রার বিড়ম্বনা ও অদম্যতা
মৃত্যুও
যাহা এক মন্থর নির্মাণ
বুঝিবা
পূর্ণ আভ্যন্তরীণ প্রতিফলন কোনও
সত্য,তবু বিলকুল ভঙ্গুর

২.

অ-বধির
তাই কৃতজ্ঞতা
অনন্ধ, সেজন্যও
হাত পাতিবে না কেহ
তবু, ধুলাবালি
কাঠকুটা
আঁখিজল
কিছু তো কুড়াবার
মুঠি ভরিবার
এইটুকু
ফিরাবার জন্য
থাকুক অন্তত
মন কি কাঁদে না
শুধুই খণ্ড পাথর?
কান পাতিবার জল
ধ্বনিমাত্র, ছায়া
তাই থাক
স্বপ্নে, সামান্য নির্মাণ

৩.

ভাবনা দরিদ্র
ভাষা ঠগিনী
টোপে গাঁথা কেঁচো কাঁপে
জল মায়াবী
হাঁসুলির মতো বাঁকানো তার
এখুনি বিঁধিবে কণ্ঠে
দমন করিবে কে
স্বরধ্বনিপ্রবণ আয়োজনের
চতুরালি বুঝা কঠিন
সাঁতার সর্বদা সর্পিল
চরিত্রগুলি নিছক মনগড়া
সুরের পাল্লায় পড়িলেই
লহমায় দফারফা

৪.

দমবন্ধ কাচের বাক্সে
অজানা পৃষ্ঠাগুলি
নুড়িচাপা
বাতাসহীন
নাগিনী, গান গাহিলে ঘুমাইবে
না, অস্ত্রের ঝনঝনায়
সেই তর্কে সময়
সে জাগুক –
এই কথা
কেউ কি বলে না!
হইতেও তো পারে
ছদ্মবেশধারী
হইতে পারে
দড়ি লাঠি কাঠকয়লা
আঁকিবুকি
দুর্জ্ঞেয় পাঠ
নিস্পৃহ পড়ুয়া

৫.

কী শ্রেয়?
যাহা সকলেই জানে
যাহা সবার অজানা
সেই রহস্য তবু
বহু মঞ্চসাফল্যের পরে
একদিন ভয়াবহ আগুন
অহো, সংলাপগুলি ওড়ে
নভে নভে চিত্রিত ফানুস
ঘোড়সওয়ার
চাকায় পিষিয়া-যাওয়া
আদর্শলিপি
তবু ছাই কুড়ায়
হৃতবস্ত্র অবোধ
মাখে লজ্জাস্থানে
অহো, কী কার্যকারিতা

৬.

ছিল না কোথাও
এই দিন
আরবচৈত্রের
মহাযোগিনীর ঘুম
ছিল না
উপলক্ষের মতো বাতাস
ছিল না
অনুতাপ আত্মনির্যাতন –
কিছু না
এই দিন ছিল না
নাই
রহিবে কি রহিবে কি?
কী যে বোকার মতো প্রশ্ন
যা তা!
উচ্চাশার সংজ্ঞার মতো
ঘুঘু ওড়ে
ওড়ে মেঘ
পথনির্দেশিকা নাকি?
ছিঃ, চুপ

৭. 

শব্দ অপক্ষপাতী
যেমন পরিস্থিতি
তাহা শুধুই থিতু হইবার নয়
ডানা মুড়িয়া বসিয়া-থাকা
পাখির অন্তকাল ঘনাইল
ঠাহর হয়
বা, উড়াল দিবার আগে
পলকের জবুথবু
স্থাপনার ভিতরের
স্থায়িত্ব যেন
কল্পনার শুভাশুভে
ঘটনা বদলায়
বদলায় ব্যাখ্যা
ভাবসম্প্রসারণ

৮.

একটু বাতাস থাক
থাক স্নায়ু
রক্ত চলাচল
ধরা খাইয়া
বোকা বোকা হাসি
ছিঁচকে চোর
পুরা দৌলতের
খবর রাখে না
তাহার ঘুরঘুর
অল্প নেশার জন্য
ইহা কোনও
জখমের গোঙানি নয়
নয় চাকাভাঙা রথের
ভৌতিক দৌড়
জোসনা পার হইয়া যায়
অনায়াসে
পিছনে প্রান্তর ও সময়
রক্তের দাগ
তীব্র, অনাহত

৯.

বীণার তারের কাছে
হাঁটু মুড়িয়া বসিতে হয়
কত গ্রহান্তরের দূরত্ব তক
ছড়াইবে ঢেউ
আঙুলের দ্বিধা ও স্বপ্নে
এই নীরবতা
পাপ ও পুণ্যের
পরিধি লইয়া
তর্ক উঠিয়াছিল
অবজ্ঞা দিয়া
মুছিয়া ফেলা যায়
পুষ্পস্নাত শিশির
সবকিছু যে না-বুঝিলেও
চলে
তাহা বুঝিতে বুঝিতে চলে
শামুক
দরকারে গুটায়
চক্ষুহীন এ-অস্তিত্ব
এক সমর্পণ

১০.

কে কাহার আবরণ
মেঘ বাতাসের
না, বাতাস মেঘের
খোসা ঢাকিয়াছে
পেঁয়াজ-মর্ম
ফলের ভিতরের কীট
কি বন্দি?
হ্যাঁ ও না-এ
বিভাজিত সারল্যে
শান্তি
যুদ্ধেও শান্তি
দিন কাটিয়া যায়
সময় না
সময় প্রস্তরবৎ
কঠিন, নির্দয়
তবু মনকে আমলে লয়
আশ্চর্য!
কালো পিঁপড়ার শুঁড়গুলি
কেবলই বার্তা দিতে চায়
পর্বতও বহে
যেন বাঁচিয়া থাকাটাই
বিলকুল মজার

১১.

কত দিক হইতে
কত অস্মিতা
ঘ্রাণ, কুচিকুচি রং
পুষ্পকণিকা
মিলায় বেহদিশ
বা, জড়ো হয়
অন্ধ পাত্রে
ইহা কোনও কার্য নয়
অকারণ
ইহা কোনও কারণও নয়
নদীগর্ভে উলটানো নৌকা
হুক্কার নল
চিঠির বাক্স
ক্বচিৎ নাকফুল
জলের অবিশ্রাম
একবার উজানে দৌড়ায়
আবার ভাটিতে
কাহিনি রচনায় মন কই আর

১২.

ছায়ারচনার ব্যথা জাগে
কারণ ছায়া লাগে
স্বীকারোক্তির বশে
সাজা অনিবার্য
তবু
নীরবতার সহিত
কথা বলিতে বলিতে
একটি পথের কল্পনা
একটি অদম্য যাত্রিকতা
এখানে নিসর্গ গৌণ নয়
কিন্তু বর্ণনাতীত
কাজেই স্বাধীনতা অফুরন্ত
দৃষ্টিহীন
শুধু কিছু উপেক্ষা চাই
যে-ভয়ঙ্করতম দিনগুলি আসন্ন
যদি রাত্রিও দগ্ধ সেদিকে

১৩.

অভ্রনির্মিত পর্দাগুলি
সরিয়া যায় একে একে
কতগুলি সাপ
কিলবিল করিতেছে
শুভসর্প উহারা
নাচ গান সারিয়া
চলিয়া যায়
বুকের দাগ
লাগিয়া থাকে ধুলায়
ওই ধুলা মাখিয়া কি
কাঁদিয়া আকুল
সকলে হয়?
কান্না ঘনাইতে
বহু রাত্রি
তখন ঝোরার ধারে
আরও শ্বাপদেরা আসে
জলপানে
অভ্রব্যাপী তাহাদের হাসি

১৪.

আবিলতা দিয়া ঘেরা
মণিকোঠা
না কি ধ্বজা উড়ায়
প্রাচীন অস্ত্রাগার
রণস্পৃহা চাই তবে
যদি পদক্ষেপে অঙ্কুর
অভাবনা গ্রহণের করঞ্জলি
অস্থিপঞ্জরসার মন
ভাসে আয়নায়
কুড়াইয়া বাক্সবন্দি করিয়া
ভাসাইবার আগে
নদীটির নাম চাই
কুলকুল ধ্বনির তল্লাশ
সামান্য অন্নজল
বুঝি মাটির প্রদীপ

১৫.

স্বীকার ও অস্বীকারের
ভিতর দিয়া
রচিত এ-পাকদণ্ডী
আরোহ-অবরোহে
তরিকা দুই
‘থোও ফালাইয়া’ বলিয়া
অনায়াসে যাওয়া যায়
ভিন সমতলে
নদীর পিছু পিছু
দরিয়ার বালিয়াড়ি জুড়িয়া
শিশুদের স্থাপত্য
ঝিনুক শঙ্খ
ওজোনের ঘ্রাণ
মাঝে থাকিয়া যায়
যোজনবিধ্বস্ত কৃষিক্ষেত
আর
কৃষকের হাড়গুলি লইয়া
ধন্দ

১৬.

ঢেউ প্রতি মুহূর্তের
দূর হইতে ঠাহর, যেন
একদল
অন্তর্ঘাতহীন নর্তক-নর্তকীর
মসৃণ ক্রমিকতা
কত চাপা-পড়া মৃত্যু
স্থবিরতা
প্রকম্পিত শিখায়
বাতাসের প্রহার
ঠা ঠা হাসি –
তাহাদের
ধারাবিবরণী অবান্তর
মাথার দিব্য কিছু নাই
ভূমিশয্যা স্বাগত সতত
সূর্যের রক্তদাগ মুছিয়া
সরগম শুরু ভোরে
ঘন তমসায়
তাহার রূপ
রূপান্তর

১৭.

হাতুড়ি ঠুকিয়া
পেরেক দিয়া
দেওয়ালে
গাঁথিয়া দিতে পারিলে
চিন্তা চিত্র হইল
অন্যথায়
ছেঁড়া মেঘের শোভা
না বৃষ্টি, না ছায়া
ঝুলন্ত বেলুন ভাসে
কল্পনার
তাহার পরিকল্পনা নাই
কোন্‌ গর্ত হইতে
কোন্‌ ইঁদুর মুখ বাড়াইবে
বা, বুঝি শুনশান সবই
সকলই শ্মশান
বা কবরখানা
আগাইয়া আসিতেছে
চুল্লির খাঁচা
গোরখোদকের খন্তা

১৮.

যে আছে
অথচ জন্মায় নাই
বা ছদ্মবেশে
ঘুরঘুর করিতেছে
বা অদৃশ্য চেহারায়
তাহাকে
শনাক্ত করা মুশকিল
ধরিলেও
পিছলাইয়া যাইবার
সম্ভাবনা ষোল আনা
তবু তাহাদের
কহতব্য বহু কিছু আছে
শিশুর মতো
গুছাইয়া উঠিতে পারিতেছে না
একটু মনোযোগ দিলে
স্নেহ দিলে
ফুটিয়া উঠিবে সাঁটগুলি
কুসুমে কুসুমে
পড়িবে চরণচিহ্ন

১৯.

আর্তনাদ সব বাক্যই
মনে হয় ঝাঁঝালো
উগ্র কটু
কখনও পূতিগন্ধময়
পতঙ্গের লাশ
ডানার স্বপ্নের মৃত্যু
ঘটিয়া গিয়াছে বলিয়া
এমন ধারা হয়
বা, সে এক ছদ্ম-কর্মসূচি
কিন্তু অভাবিত
প্রত্যেক খঞ্জই
পৌঁছাইতে চায়
মহাকাব্যের দ্বারপ্রান্তে
ইচ্ছা ও বোলচালে ফারাক
আকচা আকচি
চলে অবিরত
থামেও
ক্রিয়াপদহীনতার স্তব্ধতায়
কান্না মহাথির

২০.

স্মরণীয়তা আর অনুরণন –
ডাকিনীবিদ্যার দায়ে
ইহাদের ফেলিয়া দেওয়া হইল
নিকাশি নালায়
নৈতিকভাবে
নির্ভুল থাকিবার চেষ্টার
নিন্দামন্দ হইলেও
ওই খেদাও-অভিযানের
সারবত্তা মানিতে হয়
কিন্তু ছুতার মিস্তিরির
যন্ত্রপাতির বাক্স
আর কাঠের ছিলকা
ছড়াইয়া
আর কতদূর?
যদি শূন্যতা কিছু থাকে
আর তাহা
টের পাওয়া যায়
বেদনা না-জাগা
অমানুষিক

২১.

ভয়, তার ছিঁড়িবার
যদিও অদৃশ্য তাহা
নাহয়
সন্দেহ নানা দিক দিয়া
ঘিরুক
পুরা প্রপঞ্চই যে ভুয়া নয়
নিশ্চয়তা কী?
মায়ামৃগ
আদতে মায়া দিয়া রচিত
অর্থাৎ তাহা শিল্প
না কি মৃগেরই
বিস্তারিত মায়া তাহা
আসিয়া টানিয়া লয়
ভবিতব্যে?
ইতিবৃত্তের জন্য
সকল সম্ভাবনাই শাণিত
ব্রহ্মাণ্ডের ভাষায়
পাথর ও ডিমের
পরিণতি
তবু ভিন্ন

২২.

মর্মরিত হইবার
পূর্বেও থাকে প্রাণ
পেলব পল্লবের
আভা থাকে
থাকে সুপ্তি
স্নেহমমতার
রেণু রেণু বিস্তার
চিন্তার
সাধ্যাতীত কারুকার্য যেন
যেন মেঘপ্রলয়
স্বরবিস্তার মাত্রে
ঠাহর হয়
প্রত্যাশাগুলি আলোকলতা
আকুলিত
উন্মাদ বা তন্ময়, যাহা কিছু
আত্মবিলুপ্তিই
নিশানের উড়াল
যদি পরিযায়ী
তবু

২৩.

সংজ্ঞার দিকে
আগায় না কোনও যাত্রা
তাহা কেবলই
ছিন্ন করে
প্রতিরূপ, মায়া
যদি ঘোর লাগে
শব্দরূপ বদলাইতে
কতক্ষণ
সাঁতারের উদ্দেশ্য
শুধু পারাপার
স্নান ঘ্রাণ
মানেহীন যাপন
ছোট ছোট ঢেউ
মশাল তুলিয়া দেয় না
লোকান্তরে
যেন বহু নয়
একই তাহারা
একই পাগলের ভিতর
হাজার কিসিমের
পাগল, প্রলাপ

২৪.

সহসা
চমকপ্রদ একফালি নাচ
চাঁদ নাহয়
ভাঙিয়া পড়িবে রাস্তায়
ধুন্ধুমার আলোয় সয়লাব
আহা
অসময়ের জন্য
গামলায় ধরিয়া রাখা
যাইবে কি!
ঘোর বৃষ্টি
কচু ঘেঁচু খাদ্য যখন
তিন দিন
কে কাহার বাড়িত যাইবে
হাঁটুজলে অবরূদ্ধ তামাশা
দেখা পাওয়া তো দুরস্ত
বিরহের উদ্‌যাপন
হাজার বছরেও কুলায় না
তাই এ-বয়ন
ততদূর ব্যাপী
এক মন্থর সুর
৬-১৪ এপ্রিল ২০১৯
আবু ধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
Facebook Comments