মাধবী ডিঙা

নিদ্রাহীন এক-একটা দিন
এভাবে গুটিয়ে যায়।জেগে থাকে সুরম্য কপাট
একদিন আমিও ওই দ্বার খুলে ঢুকে গেছি
মগ্ন জলাশয়ে
চতুর্দিকে পরিখা পাথর
তুমি চাঁদ বণিকের ছদ্মবেশে উড়ে এলে
হাতে হিন্তালের লাঠি—মোহিনী ছড়ানো।
ওই দূরে ভেসে যায় ঘুমঘোরে—মান্দাস বেহুলা…
সাতখন্ড হয়ে আমি ভাসাই মাধবী ডিঙা
           ঝঞ্ঝাহীন মগ্ন প্রতিরাতে।

লখাই

অরক্ষিত রেখে তুমি কোথায় চলেছ—ওহে নদী
হে চণ্ডাল বইঠা নামাও
কালীদহ ভেসে চলে কমল প্রবাহে
প্রতিবাতে ভেসে ওঠে ভেলা
সুরহীন সুরম্য মান্দাসে ওটা কার হাড়?
হে বেহুলা সতীসাধ্বী রমনী আমার
তুমি আজ বাজি রাখলে তোমার যৌবন
নগ্ন নদীতট ধরে ওরা কারা হেঁটে যায়
ডাকাত সন্দেহে
জ্বলে ওঠা তোমার আগুনে ওরা আত্মাহুতি দিলে
জ্বলে ওঠে তৃতীয় নয়ন
ছইয়ের ভিতর থেকে তোমার লখাই
গেয়ে ওঠে ভাটিয়ালি গান।