জন্ম ১৯৬৬ , বাঁকুড়ায়। ঐতিহ্যশালী ভেলাইডিহা রাজবাড়ির জ্যেষ্ঠ সন্তান কবিতা লিখছেন ন বছর বয়স থেকে। লেখাপড়া পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ, বাঁকুড়া জেলা স্কুল, এন আর এস মেডিকেল কলেজ এবং কলকাতা,বিশ্ববিদ্যালয়ে। এম ডি পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী এই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চারখানি কাব্যগ্রন্থ ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। এই শতকের প্রথম দশক থেকেই দেশ,কৃত্তিবাস, অনুষ্টুপ, কবিসম্মেলন, কবিতা আশ্রম,আদম,সাহিত্য, কালি ও কলম, কবিস্বর সহ দুই বাংলা ও বহির্বঙ্গের শতাধিক কাগজে লিখেছেন। বৃত হয়েছেন বিনয় পদক সেরা কবি সম্মানে। কবির সাম্প্রত বই 'কবিতা স্বয়মাগতা' (আদম) কলকাতা বইমেলা,২০১৯ এ প্রকাশিত।

ময়ূর

কণ্ঠস্বরে শত কুহুধ্বনি
নইলে তো ময়ূরই বলতাম
ও চরণ পদ্মের গড়ন
নইলে ময়ূর বলা যেত
অকালে ছিল না আমন্ত্রণ
চাইনি তবুও এলে অধিত্যকায়
ফুঁ দিয়ে বাজিয়ে দিলে এই শাঁখ
ওজঃপুঞ্জ পাখি কি এতটা?
তা নইলে তো ময়ূর বলতেই পারতাম
ভালোবেসে বুকভরা বাহারি পেখম মেলে আছ।

কোমল ক্যাকটাস

কোমল ক্যাকটাস বৃষ্টি সয় না
আচ্ছাদনে তাকে আগলে রাখা চাই
অন্য বৃক্ষেরা  বৃষ্টি গায়ে মেখে
মাতনে মেতে ওঠে — পাতারা গান গায়
কলার পাতা জুড়ে বৃষ্টি ঝুপঝুপ
গোপন আশ্বাসে কেতকী ডানা মেলে
অথচ ক্যাকটাস খালি শুকিয়ে যায়
প্রবল বর্ষায় জাগে না প্রাণ তার
তাকে কী বলা যায় — এমন বর্ষায়
সঙ্গোপনে তাকে রক্ষা করা চাই।