সাহুনদীর দাগ

বৈকালীন রাগ ঝরে পড়ছে
তোমার শরীর থেকে।
যে ভাবে আঁকড়ে রেখেছো
মেঘের বন্দিস, বৃষ্টি…
দূর থেকে যে গাছ ছিল আমাদের
একমাত্র আয়ু
তার শেকড়ে রেখেছি জ্বিভ,
এসো মাটি চুষে খাই,
আর ক্রমশ আমরা দুজনে অন্ধ হয়ে যাই…
ক্রমশ হ্রাস হয়ে যাচ্ছি আমিও কেমন
নিজের ক্ষত আর ক্ষতিকর দাহক্ষেত্র থেকে।
এ কোন প্লাবনে টেনে নিচ্ছ আমায়।
যাবতীয় শূন্যতা পেরিয়ে আসতেই
তুমি ভরিয়ে দিচ্ছ দেহসঙ্গীত।
এই অন্ধঘরের মেঝেতে আমার
জন্ম জন্ম খুঁটে খাওয়া দেহ পার হয়ে যাচ্ছে।
এখন আগুন জানে,
কোন আঙুলে ভাঙন অনিবার্য,
কোন আগুনে আঙুল ছাড়খার।
তোমার পিঠজুড়ে নেশারঝোঁক
তোমার দুচোখ জুড়ে তীব্র জলের নিশ্বাস।
সে জলের দিকে ভাসি পলাতক,
সন্ধে নেমে আসছে,
আর আমার সারা শরীরজুড়ে
তুমি আজও সাহুনদীর দাগ এঁকে রাখছ…