দূরত্ব দরকারি

কালবৈশাখী জমে নৈঋত কোণে
হৃদয়ের। আঁচ বাড়ছে সংক্রমণের।
নৈকট্যের বিনিময়ে প্রথাগত
সম্পর্কের অপচয় আর ক্ষত
কিনেছি আমরা। উন্নততর প্রাণী
এগ্রহের। অনুতপ্ত হলেও জানি
ভেতরে পুষেছি নিষেধের ঘেরাটোপ
পেরোনো ফন্দি । বিনাশে বুদ্ধি লোপ !
সংগোপনে বলে যায় মহামারী

“এখন জেনো,দূরত্ব দরকারি।”

মহানগরীর রাস্তা চলেছে দূরে
পথিকের খোঁজে। সবাই অন্তঃপুরে।
এভাবেই,জেনো এভাবেই নিশ্চয়
প্রকৃতি সৃষ্টি-স্থিতি করে সঞ্চয় ।
বিষাদ যতই অন্তর-ক্যানভাসে
ছোপাচ্ছে কালো। নাগরিক তবু আঁশে
ফেলে যায় শ্বাস ব্যর্থ অঙ্গীকারে ।
মুক্তির খোঁজে সবাই রুদ্ধদ্বারে ।
সংগোপনে বলে যায় মহামারী

” শুনছো তুমি ? দূরত্ব দরকারি ।”

কেউ কি জানে সংজ্ঞা নিকট-দূরের ?
মনের থেকে তো বড় নেই ভবঘুরে !
কত যে মানুষ সহবাস করে যায়
আলোকবর্ষ দূরে থেকে দুজনায় ।
দূরে থেকে কেউ পাঁজরের তলে তলে
ঘনিষ্ঠতার সুখস্মৃতি বয়ে চলে ।
এ কথা সত্যি, আঁধারে একলা মন
ছোঁয়া পেতে চায়,হাতড়ায় প্রিয়জন।
সংগোপনে বলে যায় মহামারি
“তবুও শেষে, দূরত্ব দরকারি ।”