নতজানু

বাবারা কী ঋষি হয়?
মন্ত্রগুপ্তিতে পার করে
একটা আস্ত জীবন?
——————————-
বাবারা চকমকি এগিয়ে দেয়
প্রকৌশলী পুত্র নির্মাণ করে
আগুন মশাল।
———————————-
মাতৃভ্রূণে প্রার্থনা জোনাকী জীবন
‘তথাস্তু’ উচ্চারণ সুর মেলে
সুদূর থেকে এসেছিল ভেসে।
————————————
পাশের বাড়ির রবিদা
ভৈরবীতে দিয়েছিল টান
মায়াগন্ধ মেখেছিল চরাচর।
————————————–
নদী বলেছিল ,এসো অবগাহন করো
আলো হাতছানিতে পার করাতে চেয়েছিল তেপান্তরের মাঠ।
—————————————
আমরা নতজানু হয়ে মাটির
বাসটুকু নিতে চেয়েছিলাম।
এ সুবাস অনন্তপ্রবাহী রেখো
পৃথিবী আমার।
দয়া করো অনুক্ষণ অনুপল।
—————————————
ঋষি করোনা বাবাদের।
বাবারা কী ঋষি হয়?
তাদের দিও এক স্বপ্ন নয়ন
গাঢ় তামরস হৃদমাঝার।
তারপর গল্পদের প্রজন্মবাহী করো
প্রতি প্রবাহে মায়ের আদর
বাবার অনন্তবর্তিকা পথনির্দেশ।।