অক্ষরজল

দূর দিগন্তের শেষে,
যেখানে পথ আকাশের গায়ে মেশে
যেখানে সমান্তরাল ইস্পাতরেখা
ছোঁয় স্তব্ধ স্টেশন,
রাখি হাত...
তার স্পন্দনে আবহমান কাব্যনদ
তাতে ভাসে, ছায়া আঁকে পাখিকুল
মাথা ডোবায়, আবার তোলে
পারে উঠে খুঁটে খায় ঘাসবীজ
পাশে পাশে দুলে উঠে এক ঝাঁক তরুণী টিউলিপ

 

হয়তো স্বপ্নাদেশ, অথবা কোনো অলৌকিক জ্বর..
আমি হাতড়েখুঁজিকীটনাশক, ফিনাইল, মাতৃদুগ্ধের মতো
বন্য মহিষ, পাথুরে বর্শা আর তারাদের রহস্য
ধুয়ে মুছে ফেলি গুহাচিত্র,
আগামী আদমসুমারির দস্তাবেজ

 

ইস্পাতে ইস্পাত ঘষে ছোটে ট্রেন
তোমার থেকে আরও আরও দূরে
সরে সরে যায় এক একটা ছায়া
জানলার গরাদে শুকোয়আকাশগঙ্গার হিম
আর চোখে মহাকালের অক্ষরজল ..