তান্ত্রিক পিসেমশাই ও আমরা দুজন


কোনো বিষয়ে যা বলতেন আমরা শুনতাম। আমরা তার ভক্ত হয়ে পড়েছিলাম তার পিছনে পিছনে ঘুরতাম যদি কিছু জানা যায় যদি কিছু শেখা যায় । একবার রতন আর আমাকে নিয়ে পিসেমশাই গেছিলেন পাহাড়ি অঞ্চলে। সেখানে একটা বাড়িতে বন্ধুর বাড়িতে তিনি ঢুকেছিলেন এবং বন্ধুটার সঙ্গে তার অনেক দিন পর দেখা। সেই বন্ধুটাও তান্ত্রিক ছিল।পিসেমশায় বললেন, এখানে এসে তোদের পাহাড়টা দেখাবো বলে এই বন্ধুর বাড়ি এলাম এই বন্ধুটা মোটেও আমাকে পছন্দ করে না আমাকে হিংসা করে। তবু বাধ্য হয়ে এলাম। খুব সাবধানে থাকবি।পাহাড়ে ঘুরতে ঘুরতে পিসেমশায় একটা সত্যি ঘটনা বললেন, গর্ভবতী মিনার বাচ্চা হবে। সমস্যা হল এখন লকডাউন চলছে। বাইরে বেরোনো যাবে না। বেরোলেও সব হাসপাতালে করোনা রোগীর ভিড়। চিকিৎসক ডেট দিয়েছিলেন ৮ই এপ্রিল, কিন্তু তিন তারিখ রাত্রেই প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয় বছর ২৭এর গর্ভবতী মেয়েটির । তারপর ১২ ঘণ্টা ছাঁট লোহার ছোট কারবারি তাঁর স্বামী অসুস্থ মেয়েটিকে নিয়ে একের পর এক হাসপাতালে দৌড়ে বেরিয়েছেন। মুম্বইয়ের উত্তর শহরতলির নালাসোপারা থেকে মুম্বইয়ের মধ্যে ৭০ কিলোমিটারে চারটি হাসপাতাল পড়েছিল। তার একটিতেও ভর্তি করতে না পেরে পরের দিন বিকেলে স্ত্রীকে মরতে দেখল যুবকটি। বাঁচানো যায়নি গর্ভস্থ সন্তানটিকেও। তাঁর মৃত্যুর পরেই সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন হয়ে যায় নালাসোপারার ধানেব বস্তি এলাকায়। এই মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই এলাকায় কনট্যাক্ট ট্রেসিং করতে গিয়ে পড়েছেন আর এক বিপদে। লোকজন বলতে শুরু করেছে এঁরা এনপিআরের তথ্য সংগ্রহ করতে গেছেন। একদিকে করোনার আতঙ্ক , এনপিআর-এর ভয়, অন্যদিকে হাজার পঁচিশেক বাসিন্দার খাবার ফুরিয়ে আসছে, পানীয় জলের তীব্র সঙ্কট- সব মিলিয়ে ভয়াবহ অবস্থা।মিনা মারা গেল , সে আর তাঁর স্বামী উত্তরপ্রদেশ থেকে এই বস্তিতে আট মাস আগে আসে। থাকতে শুরু করে দশ ফুট বাই দশ ফুট একটি গ্যারেজে। রাতে যখন মেয়েটির দমবন্ধ হয়ে আসতে থাকে , তাঁর স্বামী দুই আত্মীয়কে নিয়ে একটি অটোরিক্শা ভাড়া করে নিউ আয়ুশ নার্সিংহোমে যায়। করোনা ভাইরাস সন্দেহে সেখানকার ডাক্তার মেয়েটিকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করে, তখন তাঁরা দৌড়য় সরকারি সর্বোদয় মেটারনিটি হোমে। সোখানকার ডাক্তার বলেন তাঁর চিকিৎসা করার ব্যবস্থা ওই হাসপাতালে নেই। সেখানে প্রত্যাখ্যাত হয়ে এঁরা যখন ৪০ কিলোমিটার দূরে কান্ডিভেলির শতাব্দী হাসপাতালে পৌঁছয়, ততক্ষণে রাত আড়াইটে বেজে গেছে। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা যায় মেয়েটির ফুসফুসে জল জমে গেছে, তখন তাঁকে রেফার করা হয় নায়ার হাসপাতালে , যেটা আরও ৩০ কিলোমিটার দূরে। সেখানেই তাঁর গলা থেকে লালারস নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। ঘন্টাখানেকের মধ্যে মেয়েটি মারা যায়। পরীক্ষার ফল আসে কোভিড-১৯ পজিটিভ। এই ঘটনার পরে ওই বস্তিতে যখনই তথ্য সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা গিয়েছেন, তাঁরা কোনও সাহায্য পাননি। কেউ কোনও বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে এই মৃত্যুর পরে মেয়েটির স্বামী ছাড়াও আশপাশের পাঁচটি পরিবারের ৩২ জনকে স্থানীয় একটি স্কুলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় সাড়ে ছ হাজার মানুষের ওই বস্তিকে কন্টেইনমেন্ট জোন বলে ঘোষণা করে চারদিকে কড়া পাহারা বসানো হয়েছে, যাতে কেউ যথেচ্ছ ঢুকতে বেরতে না পারে।

পিসেমশাই বললেন, এই লকডাউনে রাতের কলকাতায় হেনস্থার শিকার এক রুপান্তরকামী। অভিযোগ, একা পেয়ে কেরোসিন ঢেলে দেওয়া হয়েছে তাঁর গায়ে। পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আক্রান্ত। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে ফুলবাগান থানার পুলিশ।কাঁকুড়গাছির সেকেন্ড লেনের বাসিন্দা বছর ২০–এর ওই রুপান্তরকামী শুক্রবার রাতে ওষুধ কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। সেই সময় এলাকাতেই আড্ডা দিচ্ছিল কয়েকজন যুবক। অভিযোগ, রুপান্তরকামীকে দেখতেই কটুক্তি শুরু করে তারা। এরপর আচমকা পিছন দিক থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে ওই যুবকেরা কেরোসিন ছুঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী সেই সঙ্গে লাগাতার তাঁকে পুড়িয়ে মারার হুমকিও দেয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর বাড়ি ফিরে গোটা ঘটনাটি জানানোর পর পরিবারের সঙ্গে ফুলবাগান থানার দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। মেরে দিল রূপান্তরকামিকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে।এলাকার কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ফুলবাগান থানা। শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় এক যুবককে। যুবক সব দোষ স্বীকার করে তারা হয়তো ভবিষ্যতে ফাসি হবে কিন্তু মিনার কি হলো সংসার ভেসে গেল সে তার গর্ভস্থ সন্তানকে নিয়ে আজ মৃত্যুর কোলে। মিনার অতৃপ্ত আত্মা ঘুরেফিরে বেড়াতে লাগলো। আর সেই রূপান্তরকামী রাস্তায় ঘুরে ফিরে বেড়াতে লাগলো তাদের দেখা হল দুজনের তারা ঠিক করল এদের সর্বনাশ করবে।রূপান্তরকামী বলল আমাকে যে হত্যা করেছে তাদের সংসারের সবকটাকে আমি একা একা মারব আর এই মিনার আত্মা বলল আমাকে যে পুড়িয়ে মেরেছে একজন ধরা পড়েছে কিন্তু আরও পাঁচজন ছিল সবকটাকে আমি মারবো ।তারা কিন্তু কথা রেখেছিলো। পিসেমশায়,মানে তান্ত্রিক বললেন, প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভূত হল মৃত ব্যক্তির আত্মা যা জীবিত ব্যক্তিদের সামনে দৃশ্য, আকার গ্রহণ বা অন্য কোনো উপায়ে আত্মপ্রকাশ গল্প প্রায়শই শোনা যায়। এই সকল বিবরণীতে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে: কখন অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় সত্ত্বায়, কখনও বা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ভবিষ্যদ্বাণী করার বিদ্যাকে কালা জাদু বলা হয়ে থাকে।প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতিগুলোর মধ্যে ভূতের প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সেযুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, ভূত-তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হত মৃতের আত্মাকে তুষ্ট করার জন্য। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, ভূতেরা একা থাকে, তারা নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ঘুরে বেড়ায়, জীবদ্দশায় যেসকল বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল সেগুলিকে বা তাদের তাড়া করে ফেরে। তবে ভূত বাহিনী,এমনকি ভৌতিক জীবজন্তুর কথাও শোনা যায়।মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আত্মা দেহত্যাগ করে। জীবাত্মা অবিনশ্বর। তবে কখনো কখনো জীবিত সামনে আকার ধারন করে। এটি পূরাণভিত্তিক একটি আধিভৌতিক বা অতিলৌকিক জনবিশ্বাস। প্রেতাত্মা বলতে মৃত ব্যক্তির প্রেরিত আত্মাকে বোঝায় ।সাধারণের বিশ্বাস কোনো ব্যক্তির যদি খুন বা অপমৃত্যু হয় তবে মৃত্যুর পরে তার হত্যার প্রতিশোধের জন্য প্রেতাত্মা প্রেরিত হয় । বিভিন্ন ধরনের কাহিনী ও রয়েছে এ সম্পর্কে । বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিতে ভূতের অস্তিত্ব বিশ্বাস করা হয়। আবার কিছু ধর্মে করা হয় না, যেমন ইসলাম বা ইহুদী ধর্মে। এসব ধর্মাবলম্বীদের মতে মানুষের মৃত্যুর পর তার আত্মা চিরস্থায়ীভাবে পরলোকগমন করে আর ইহলোকে ফিরে আসে না। মিনার খুনিরা একটা বাড়ি ভাড়া করে বাসায় এল মালপত্তর নিয়ে। তারা বড়লোকের ছেলে। ফুর্তি করে আর ধর্ষণ করে মারে মেয়েদের। পিসেমশায় বলছেন গল্প।তারা নাকি পুরনো বাড়ি কিনে রিনোভেট করে বাস করছেন,অথবা নতুন ফ্ল্যাটে মুভ করেছেন। যা-ই করে থাকুন, মোদ্দা কথায়, নতুন বাসস্থানটিতে এসে স্বস্তি পাচ্ছেন না কিছুতেই। কেন জানা নেই, বার বার মনে হচ্ছে কোথাও একটা ছন্দপতন রয়েছে। তালে মিলছে না সব কিছু। প্যারানর্মাল বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্যাপারটা মোটেই অবহেলা করার মতো নয়। আপনার আবাসটিতে ‘তেনা’দের আনাগোনা থাকতেই পারে।ভূতে বিশ্বাস করুন বা না-করুন, এমন কিছু অস্বস্তি রয়েছে, যার সর্বদা চটজলদি ব্যাখ্যা হয় না। তেমন কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে চেষ্টা করেছেন জন এল টেনি-র মতো খ্যাতনামা অতিলৌকিক বিশেষজ্ঞ। টেনি জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিশেষ দিকে নজর রাখাটা জরুরি এমন ক্ষেত্রে। তাঁর বক্তব্য থেকে পাঁচটি বিষয় তুলে দেওয়া হল—হঠাৎই আপনার মনে হল, পিছন থেকে কেউ আপনার কাঁধ বা পিঠ স্পর্শ করল। ফিরে দেখলেন, কেউ নেই। তন্ত্রমতে, এমন ক্ষেত্রে সাবধান। স্পর্শকারী রক্তমাংসের জীব না-ও হতে পারেন। যদি মনে হয় ঘরের আসবাবপত্র নিজে থেকেই স্থান পরিবর্তন করছে, তা হলে খামোখা ভয় পাবেন না। তিনি জানাচ্ছেন, এমন ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভৌতিক না-ও হতে পারে। নিজেই হয়তো সরিয়েছেন সেন্টার টেবল তার পরে ভুলে গিয়েছে। কিন্তু যদি খাটখানাই টোটাল ঘুরে যায় অথবা চেয়ার উল্টো হয়ে বিরাজ করে, তবে ভাবার অবকাশ রয়েছে।আবার নতুন বাসায় পা রেখে যদি শোনো সেখানে কেউ আগে মারা গিয়েছেন অথবা যে জমিতে বাড়ি করেছে কেউ সেটি আগে কবরখানা ছিল, তা হলে ভয় আছে। পুত্রহারা গৌতমীকে তথাগত বলেছিলেন এমন কোনও বাড়ি থেকে একমুঠো সরষে নিয়ে আসতে, যেখানে মৃত্যু বা শোক প্রবেশ করেনি। তার বক্তব্যও একই প্রকারের। মৃত্যু একটা সাধারণ বিষয়। তা কোথাও ঘটে থাকলেই যে প্রেত কিলবিল করবে তার কোন কথা নেই।

ক্রমশ…