সুকুমার রায়-এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা

১০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩, একটি যুবক কালাজ্বরে ভুগে প্রাণ হারালেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন তাঁকে দেখতে। মৃত‍্যুশয‍্যায়। দেখলেন পরিপূর্ণ প্রাণটি নিয়ে প্রশান্ত মনে এক যুবক মৃত‍্যুর দিকে নিজেকে উৎসর্গ করে দিচ্ছেন। মৃত্যুর সামনে কারো এত প্রশান্তি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চোখে এর আগে খুব বেশি পড়েনি। লিখে গিয়েছেন সে কথা।
যুবকটি একদিন বিজ্ঞানী প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশের সাথে একত্রে সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের মধ‍্যে আন্দোলন গড়ে তুলে ছিলেন, কেন রবীন্দ্রনাথকে চাই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন আদি ব্রাহ্মসমাজে। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেধা মনন হৃদয়বত্তা সর্বমানবের। তাই সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে রবীন্দ্রনাথকে দূরে ঠেলে রাখতে পারে না।
এমন কথা বলে যারা যৌবনদীপ্তিতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, তাদের একজনকে মৃত‍্যুশয‍্যায় দেখে রবীন্দ্রনাথ দেখলেন এক পরিপূর্ণ মানুষকে।
আজ, ১০ সেপ্টেম্বর, সুকুমার রায়ের মৃত‍্যুদিন। ১৮৮৭ সালের অক্টোবরের ত্রিশ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

মৃদুল শ্রীমানী