না মানুষের সংসদ

কথাটা কেমন জানি লাগল দৈত্যের । হৃদয় ব্যাকুল হচ্ছে বসন্তের জন্য অথচ তাঁর বাগানে বসন্তের দেখা নেই । খুব দুঃখ পেল দৈত্য । শীত-ঋতুর কথাটার অর্থ বোঝার চেষ্টা করল কিন্তু বুঝতে পারল না ।
তারপর হঠাৎ একদিন তখন দৈত্য বেশ বুড়ো হয়েছে – দেখল বাগানে বসন্ত এসে গেছে ।
কান পেতে সে শুনল, আরে বাচ্চাদের কলকাকলি তার বাগান জুড়ে । আর ফুলে, পাখিতে ভরে উঠেছে বাগান । খুব আনন্দ হল দৈত্যের । সে সমস্ত পাঁচিল ভেঙে দিল ।
শুধু বাগানের এক কোনায় তখনও শীত । ছোট্ট একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদছে । গাছ তাকে ডাকছে কিন্তু সে গাছে চড়তে পারছে না । দৈত্য ছুটে গেল তার কাছে, আর কোলে তুলে নিল মনকে । চুমু দিল । দৈত্যের ঠোঁটের লিপস্টিক লেগে গেল মনের গালে ।
তারপর দৈত্যকে দেখে সে অবাক । মাও তাকে বলেনি স্বার্থপর দৈত্যটা আসলে কে !
মনের বাবা । মাছ ধরতে না গিয়ে নাটক করতে এসেছে । স্বার্থপর দৈত্য ভালো হয়ে গেল । সে মনকে কোলে নিয়ে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে লাগল । কয়েকদিন পর ছিল দোল । এষা-দি,কণা পিসিরা আবির ছড়াতে ছড়াতে গাইতে থাকল – বসন্ত এসে গেছে . . . .
খুব মজা হল মনের ।