না – মানুষের সংসদ

তুমি তো বিদেশিনী । পার্বত্য বাংলাদেশ থেকে এয়েচ । পাসপোর্ট আচে তোমার !
লালপেট বুলবুলি বেশ ঠোঁটকাটা । সে বলল –
টিকটিকি – তোমার তো আমার মতন ডানা নেই । বৃদ্ধও হয়েছ । দমও নেই । পাখির আবার পাসপোর্ট লাগে নাকি !
টিকটিকি বিজ্ঞের হাসি হাসল । তারপর বলল –
আমরা হচ্ছি ‘ঘটি’ । আমরা বেশ কয়েকপুরুষ ধরে এই পলাশিপাড়ায় রয়েছি । এখানে এয়েচ যকন আমাদের খাতায় নাম, বংশপরিচয় লেকাতে হবে ।
লাল বুলবুলি এবার সবাইকে অবাক করে দিয়ে বলে উঠল –
হাইপসিপেটস ভাইরেসেনস ।
ময়না এবার বলে উঠল –
বিদ্যের জাহাজ এয়েচেন । আমাদের কি গাল দিচ্চ তুমি !
লাল বুলবুলি বলল –
তোমাকে পাঠশালায় যেতে হবে । তোমার মধ্যে শিক্ষার আলো এক্কেবারে নেই ।
টিকিটিকি এবার বলল –
লেপচা ভাষায় তোমাদের বলে ‘চিচিয়াম’ ।
চিনে ভাষায় – ‘চিওক-ফো’ ।
লাল বুলবুলি প্রজ্ঞে টিকটিকিকে প্রনিপাত করল ।
টিকটিকি বলল – আমরা কিন্তু মূল আলোচনা থেকে সরে যাচ্ছি ।
সকলেই সমর্থন করল ।
হুলো বলল এবার
সভাপতি সাহেব – আপনি বলুন ।
টিকটিকি বলল –
ছাতারেদের কাছ থেকে শিখলাম ওদের দলবদ্ধতা । হঠাৎ যদি কোন আক্রমণ হয় গোষ্ঠীসুদ্ধ ঝাঁপিয়ে পড়ে, ছিনিয়ে নেয় তাদের সঙ্গীকে ।
সকলেই সমর্থন করল ।