জ্যোৎস্নায় মাখামাখি জামুয়ানি

নীল আকাশের নিচে জামুয়ানির হৃদয় ছুঁয়ে নির্জন অরণ্য ভেদ করে গাড়ি নিয়ে ছুটে চললাম রূপসী ঝর্নার কাছে। অরণ্যের পথ ধরে যেতে যেতে চোখে পড়লো স্পটেট ডিয়ার, হগ ডিয়ার, লেঙ্গুর,স্কুইরেল
বন মুরগি, সারপেন্ট ঈগল, বাজ ও বিভিন্ন ধরনের পাখি। আসলে জন্ত জানোয়ার নয় আমাদের একমাত্র লক্ষ্যই প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলা। গাড়ি ছুটছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মনও ছুটছে। চারিদিকে অরণ্যের বিচিত্র রূপ দেখতে দেখতে অবশেষে এসে পৌঁছালাম রূপসী ঝর্নার কাছে। অরণ্যের আদিমতা ফুড়ে যেন শ্বেতশুভ্র শাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে এক সুন্দরী নারী।পাহাড়ের গাল ছুঁয়ে নেমে এসে হারিয়ে যাচ্ছে অরণ্যের গভীরে।পাখিদের কলতান ও শিরশির হাওয়ার মাঝে বেশ কিছুক্ষণ জমিয়ে গল্প গুজব ও ঝর্না স্নান করে ফিরে চললাম জামুয়ানি গ্রামের দিকে। আজকের দুপুরের মেনু গরম ভাত, আলুর চোখা,চুনো মাছের ঝাল, দেশি মুরগির ঝোল ও চাটনি। বেশ তৃপ্তি করে খেয়ে একটু বিশ্রামের জন্য মাটির দালানে খানিক গড়াগড়ি। ঘুম যখন ভাঙলো বাইরে বেড়িয়ে দেখি গোধূলির সূর্য তখন জামুয়ানির ক্যানভাসে রঙ ছড়িয়ে যাচ্ছে। আর জামুয়ানি যেন আর একটা চঞ্চল দিন কে পেছনে ফেলে রাতের কাব্য লিখতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।