চাঁদ রঙা চা

স্ট্রীট লাইটের আলোয় হাঁটতে হাঁটতে ঋষি সুবর্ণাকে বললো, চলো আজ চাঁদ রঙা চা খাই । সুবর্ণা হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লো । কিন্তু শহরের কোথাও চাঁদ রঙা চা পাওয়া গেল না । কেউ একজন বলল, ঝিলের দিকে মাল্টি কালার চা পাওয়া যায় । মাল্টিকালার চা দোকানে পৌঁছে তারা দু’কাপ চাঁদ রঙা চা অর্ডার করল ।
সুবর্ণা চা খেলো না, এমনকি একবার মুখে নিয়ে আর ছুঁয়েও দেখল না । দোকানদার বাটপারি করেছে । চাঁদ রঙা চায়ের কথা বলে দুধ চা দিয়েছে ।
ঋষি কুড়ি টাকায় দু-কাপ চা কিনে নিল। ঝিলের ওপরএখন উপচে পড়ছে চাঁদের আলো । তারা কাপ ভর্তি ভালোবাসার সাথে দু’ফোটা চাঁদের ফোয়ারা মিশিয়ে নিল। চাঁদ রঙা চায়ের মাল্টিফ্লেভার টেস্ট । পুরো শহরে আজ চাঁদের হাট বসেছে, অথচ কোথাও একটা চাঁদ রঙা চায়ের দোকান নেই । অন্তত ঝিলের কাছাকাছি একটা চাঁদ রঙা চায়ের দোকান থাকা উচিত ছিলো ।
ঋষি গান ধরলো-
চাঁদ কহে চামেলি গো,হে নিরুপমা
নিরালে যদি গো চলে যাই…