তাঁর প্রেমিক

বর্ষাস্নাত সন্ধ্যা,
বিদ্যুৎতের ঝলকানিতে,
চোখ ধাঁধিয়ে যেন যায়,
নারকেল গাছের পাতা থেকে-
পড়ছে জল,
টপ টপ করে।
এক অনন্য শীতের আমেজ,
জড়িয়ে রেখেছে চারপাশকে!

এরই মাঝে প্রেমিকা বসে প্রেমিকের পাশে,
ছোট্ট এক কুটির!
লণ্ঠনের আলোয়ে-
সৃষ্টি হয়েছে এক আলো আঁধারের পরিবেশ!
প্রেম বপন করেছে তার বীজ!
রূপসী প্রেমিকা রাখল প্রেমিকের হাত,
আপন কটিদেশে।
ভালোবাসা পায় এক সংজ্ঞা!
লাবণ্যময়ী সেই প্রেমিকার,
কালো মেঘের ন্যায় কেশরাশি,
বৃদ্ধি করেছে তাঁর সৌন্দর্য!
অকস্মাৎ!
প্রেমিকের অন্তরে জন্ম নেয়,
এক নিষ্ঠুর প্রেম!

একের পর এক কেশ অংশে আবদ্ধ হতে থাকে, তাঁর কণ্ঠবর্গ-
নেই কোন প্রতিবাদ,
নেই কোন পীড়া,
নেই কোন যন্ত্রণা!
এক ফালি চাঁদের ন্যায়-
মুখের হাসি,
ছিল একমাত্র সম্বল সেদিন!
মৃত্যুর পথের যাত্রী প্রেমিকা,
তবুও ছিল না কোন গ্লানি,
মুক্তির এক অনবদ্য পথ:
উপহার দিয়েছিলেন ঈশ্বর সেদিন!
নিঃসঙ্গতা গ্রাস করে প্রেমিকের মন,
বাইরের ঝড় থেমে গেছে তখন!
আকাশে পূর্ণিমার পূর্ণ শশী,
প্রেমের এই নীরব কাহিনীর ,
সাক্ষ্য বহন করেছে –
পরমেশ্বর শুধু-
নিশ্চুপ,
নিরুপায়!!