প্রকৃতির এক ভিন্ন রূপ,
সাজে সে অনন্যা,
গগনে পূর্ণ শশী,
হৈমন্তী সমীরণে-
দিগন্ত তৃপ্ত!
এক মাহেন্দ্রক্ষণ!
সকল অপেক্ষার অবসান,
দিকে দিকে নিনাদিত শঙ্খধ্বনি,
মর্তে আজ অমর্ত্যের আবির্ভাব,
বর্তমানকে অবলম্বন করে,
ভবিষৎতের গর্ভের দিকে অগ্রসর হওয়া,
যা উজ্জ্বল,
যা দীপ্তিময়,
শতসহস্র রবির কিরণে,
যা আজও উদ্ভাসিত,
যা আজও প্লাবিত!
অমৃতের বাণী শোনাতে,
তুমি আজ অমর্ত্য,
তবে নামে ভূষিত করেছিলেন-
সকলের রবীন্দ্রনাথ!
শান্তির নিকেতন থেকে,
মনুষ্য পৃথিবীর প্রতি কণায়ে,
এক উজ্জ্বল উপস্থিতি তোমার,
যা ঋদ্ধ করেছে আমায়,
উদ্বুদ্ধ করেছে এই মানবজাতিকে!
মনুষ্য কল্যাণ এক মাত্র সংকল্প তোমার,
বিরাজ করেছ রাজসিংহাসনে,
ধারণ করেছ রাজমুকুট,
ভূষিত হয়েছ নোবেলে,
ভারতরত্নে।
গৌরবের গগনে,
নক্ষত্র শ্রেষ্ঠ তুমি,
স্নিগ্ধতা যার-
মুগ্ধ করেছে এই চেতনাকে,
পলব্বিত করেছে সকল অনুপ্রেরণাকে!
জীবনের বহু বসন্ত অতিবাহিত করে,
আজ ৮৭তে পদার্পণ করলে তুমি,
গর্বিত মর্তবাসী,
জানায় তোমায় শুভকামনা,
তোমার বিরল গুণের স্রোতস্বিনী,
থাকে যেন চিরন্তন,
তোমারই মনের মণিকোঠায়-
অনুভব করি যেন আপন অস্তিত্ব!
তোমারই দেখানো পথে,
খুঁজে যেন পাই আপন আলোর ঠিকানা,
তোমারই অশেষ আশিষ বর্ষণে,
সিক্ত হয়ে যেন সকল আত্মিক শক্তির চেতনা!!
                    “শুভ জন্মদিন

                                            –কুণাল রায়