আহত মৌমাছি

বুকের উপর বিভূতিভূষণ খোলা রয়ে গেছে ,
মেঘমল্লার শুনতে শুনতে কখন যেন
সুনন্দার সাথে চলে গিয়েছিলাম সেই বীণাবাদিনীর দেশে।
কম্বলের উপর এলানো ছিল শরীর মাটিতে
আর আমি জোছনার মিঠে আলোয় পেতে দিয়েছি হাত
যেন, ঝর্ণা থেকে পান করে নিচ্ছি সুধা
কানের কাছে কি যেন একটা গুনগুন শব্দ
আমি ভাবছি কুলকুন্ডলিনী জেগে উঠে
বসন্ত দিয়ে এঁকে যাচ্ছেন একেকটা পদ্ম।
কত জন্ম আর এভাবে গাছ হয়ে থাকা যায় তোমার ছায়া জড়িয়ে
মুখের সামনে একটা মৌমাছি উড়েই বেড়াচ্ছে,
হাতের আঘাতে মাটিতে গড়িয়ে পরতেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেলো
যাবার আগে তার বিষন্ন মুখের নিঃশব্দ ভাষায় কেঁপে উঠলো আমার বাগ্ময় সাম্রাজ্য।