২৭.
একবার ভেবে দেখ, কেন তোমাকে আটকাবো না
কেন তোমার হাত আলতো চেপে বলবো না –
” বসো না – আর একটু”
তুমি উঠে গেলে দেখো মেঘেরা
ভুলিয়ে দেবে পথ
জড়িয়ে ধরে বলি – একটা কথা শোনো
– আজ যেতে দেবো না তোমায়
– আকাশ ছোঁয়া বাড়িতে ছাদ নয়,কবির খাতায় এসো
– ঘরের বাইরে দেশ,কোনো দিন যদি
তালা ঝোলানোর খবর দিতে হয়
ভেঙে দিও খুব কষে
আত্মার কোলে শুয়ে থাকো
একটা কথা শোনো – “খুব জড়িয়ে থাকো চেপে”
কিছু স্পর্শই আসলে কবিতার পথে হাটে।
—————————–
দেখতে পাই না জীবন শুধু আয়ুর কাছে বাঁচি। সবটাই দেখি মাংসের মতো, মনটা দেখি কি? বিশ্বাস এবং আচরণের স্তর থেকে এক’পা দু’পা তিন’পা চার’পা ….. সরে আরও একটু ভেঙে ভেঙে নিজের ‘আমি’ কে স্থাপনের পথ করে – বিপ্লব। ঘুরে দেখি…..
– কাছে এসো বৃষ্টি …
—————————

২৮.

গদ্য লিখলে তোমাকে কঠিন লাগে বেশ
কেমন যেন মনে হয় উড়োজাহাজের জানলার কাঁচ
মেঘের এতটা পাশে থেকেও
কেন আমি স্পর্শহীন হবো!
তার চেয়ে বরং তুমি আমার বিরাট চুলের অন্ধকারে
কবিতা লিখে যেও
কবিতাই তোমার বুকে লেগে থাকা
আমার নখের আঁচড়
জন্মলগ্নের শিশিরফোঁটা প্রথম বাংলা ভাষা