হাওয়া বদল

লোকটা বিষন্ন চোখে ওদের দেখছিল । ম্যানেজার জানালেন , উনি সুরেশ রায় , গ্রুপ ডি কর্মচারী ।
“ কাল মংপু যাবেন ।“ ম্যানেজারের কর্তৃত্বে সুরেশ বললেন “দেখা যাক ।“
কর্পোরেট আর ঋতমের মাকে ম্যানেজ করে , প্রথম বেরনো । রাতে , কলিং বেল বাজতে ঋতম দেখলো , দরজায় সুরেশ । হাতে দোতারা।
“গান শুনবেন ? “
কয়েকটা ভাওয়াইয়া গেয়ে বললেন ,
“ফিরে গিয়ে বলবেন । আমার অবশ্য সামনে রিটায়ারমেন্ট । বাইশ বছরে এসেছিলাম ।তাঁবুতে ছিল সব । টুরিস্ট এলে , তাঁবুর বাইরে ক্যাম্পখাটে শুতাম । ম্যানেজার এসেছে । এবার ছেড়ে যেতে হবে ।

“লোকটা কষ্টে আছে।“ ঋতম বললো।
”বাট্ ম্যানেজার ওর বস । আর , ছাড়তেতো হবেই ।“কৃতির উত্তর ।
“ আসলে ছাড়া কঠিন ।“
“তোদের কি প্রয়োজন নেই একটা খবর দেওয়ার ? “
, কাল ওখানে মোবাইলে টাওয়ার না থাকায় , খুশিই হয়েছিল ওরা। । আশ্চর্য ! মায়ের কথা ভাবেইনি !
“ চিন্তার কি আছে !” ঋতমের স্বগোতক্তির সুর কেটে কৃতি বললো !
“ছাড়া সহজ নয় । উনিও তো সারা জীবন …”