তান্ত্রিক পিসেমশাই ও আমরা দুজন

২৯

পিসেমশাই বললেন তন্ত্র বিদ্যা শেখার আগে নিজের শরীরকে গঠন করতে হয় যোগ ব্যায়াম করে।। অতি প্রাচীনকালে আমাদের মুনি-ঋষিরা শরীরকে সুস্থ ও নীরোগ কর্মক্ষম ও দীর্ঘায়ু করার জন্য যোগ অভ্যাস করতেন যোগ হলো আত্মার সহিত পরমাত্মার মিলন আবার ভগবত গীতার ব্যাখ্যা আছে দুঃখ কষ্টের হাত থেকে মুক্ত হওয়া। মহামুনি পতঞ্জলির মতে হঠযোগের পাঁচটি প্রক্রিয়া নিয়ম আসন প্রাণায়াম ও প্রত্যাহার এবং রাজ্যের তিনটি প্রক্রিয়া ধারণা ঔষধটি প্রক্রিয়া হল অষ্টাঙ্গিক যোগ। আসনের ভঙ্গি গুলি মুনি-ঋষিরা বহু পরীক্ষার পর আবিষ্কার করেন শুধুমাত্র আসনের ভঙ্গি গুলি আবিষ্কার করে তারা ক্ষান্ত হননি কোন মাসে কোন রোগ নিরাময় হয় কোন কোন আসন অভ্যাসে শরীরে কোন কোন গ্রন্থির কাজ ভালোভাবে হয় তার বর্ণনা করে গেছেন।এই যোগব্যায়ামের দাঁড়ায় তান্ত্রিকরা কঠোর তপস্যার মাধ্যমে নানা রকম অলৌকিক শক্তি লাভ করতেন। যেমন শূন্যে ভাসতে পারতেন অদৃশ্য হতে পারতেন বা জলে ভেসে থাকতে পারতেন তৈলঙ্গস্বামী যেমন 24 ঘন্টার মধ্যে 22 ঘন্টা জলে ভেসে থাকতেন। যোগব্যায়ামের মূল ব্যাপারটা হলো শরীর গঠনের সঙ্গে সঙ্গে মানসিক শক্তির গঠন হয় অর্থাৎ মানসিক শক্তি ও আত্মার উন্নতি হয়।
রতন বললো, আপনি যোগাসন আমাদের শেখাবেন?
– নিশ্চয় শেখাবো। তবে সবার জন্য সব আসন কিন্তু যোগ্য নয় যে যেমন স্বাস্থ্যের অধিকারী বা যার যেমন রোগ আছে সেই অনুযায়ী আসন করতে হয়। তা না হলে ফল হবে বিপরীত।
আমি বললাম, আমি শবাসন আর পদ্মাসন করতে পারি।
পিসেমশাই বললেন সর্বাঙ্গাসন, হলাসন এই আসন দুটি কিন্তু কিভাবে করতে হবে গুরুর কাছে শিক্ষা নিতে হয়। কোনটা আগে কোনটা পরে এসবে ব্যাপার আছে। যোগাসন কিন্তু ছেলেখেলা নয়। যোগাসনের সঙ্গে সঙ্গে বীর্য ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে হয় এবং তাহলে অনেক শক্তির অধিকারী হওয়া যায়। মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে ত্বক উজ্জল হয়ে ওঠে এবং কোনো রোগ সহজে নাস্তানাবুদ করতে পারে না। গাদা গাদা এন্টিবায়োটিক না খেয়ে যোগাসন করলে কোন ওষুধের প্রয়োজন পড়ে না।
কথাগুলো বলে পিসেমশাই আমাদের দশটি আসন করে দেখালেন। তার সুন্দর আসন দেখে আমরা অবাক কি সুন্দর ময়ূরাসন করলেন ধনুরাসন, হলাসন, তার কাছে যেন একদম সহজ জল ভাতের মত।
রতন বললো বিষয়ে আপনি আর কি কি জানেন?
পিসেমশাই বললেন আমি একটা লাঠি পেলে কুড়ি জনের মহড়া নিতে পারি। কুড়ি জনকে আটকে দিতে পারি। এই দুটো লাঠির দুই হাতে ঘোরাতে পারি। জলে ভেসে থাকতে পারি, শূন্যে ভাসতে পারি, অদৃশ্য হতে পারি তন্ত্র মতে এগুলো সম্ভব। এগুলো সবই আমার পূর্বপুরুষদের কাছে শেখা। একটা লাঠি পেলে আমি চারতলা বাড়ির ওপরে ছাদে উঠে পড়তে পারি। মানুষ পারেনা এমন কোন কাজ নেই মানুষের কাছে অসম্ভব কথাটা কোনদিন সাজে না। একটা মানুষ ইচ্ছা করলে সব পারে।
পিসেমশাই এবার তার চিরাচরিত হিন্দি আরম্ভ করলেন বললেন, লাও চায়ে আর চানাচুর। বিনা পয়সা মে কুচ হোতা নেহি কুছ মিলতা ভি নেহি ভাই…
৩০
পিসেমশাই বললেন, তা হলে এই দুর্গা মন্ত্রীগুলি জপ করলে সমস্ত বিপত্তি দূর হবে।পরিবারে সুখের বাস
হবে।দারিদ্রতা এবং দুঃখ ইত্যাদি দূর করতে :-দুর্গে স্মৃতা হরসি ভীতিমশেষজন্তোঃ স্বস্থৈঃ স্মৃতা মতিমতীব শুভাং দদাসি। দারিদ্র্যদুঃখভয়হারিণি কা ত্বদন্যা সর্বোপকারকরণায় সদার্দ্রচিত্তা।।আমি বললাম, কলহ, অশান্তি দূর করে ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য উপায় আছে? তিনি বললেন আছে। ধাং ধীং ধূং ধূর্জটে পত্নী ।বাং বীং বূং বাগধীশ্বরী।।ক্রাং ক্রীং ক্রূং কালিকা দেবী। শাং শীং শূং মেং শুভং কুরু।।সুশীল এবং বিচার-বুদ্ধি সম্পন্ন স্ত্রীর প্রাপ্তির জন্য, ভার্য্যাং মনোরমাং দেহি। মনোবৃত্ত্যনুসারিণীম্।রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি ।।তারিণি দুর্গসংসার-সাগরস্যাচলোদ্ভবে।রূপং দেহি জয়ং দেহি যশো দেহি দ্বিষো জহি ।।রতন বললো, কোনও বিপত্তির হাত থেকে বাঁচতে? তিনি বললেন, আছে সব আছে। তার মন্ত্র হলো, শূলেন পাহি নো দেবী পাহি খড়গেন চাম্বিকো। ঘণ্টাস্বনেন নঃ পাহি চাপজ্যানিঃস্বনেন চ।।প্রসন্নতা প্রাপ্তির জন্য,প্রণতানাং প্রসীদ ত্বং দেবী।বিশ্ববার্তিহারিণি।ত্রৈলোক্যবাসিনামীড্যে লোকানাং বরদা ভব।।মন্ত্র-গুণে সমস্যা সমাধান কে না জানে, জীবন ইক্যুয়ালটু রকমারি সমস্যা! তা বলে লাগাতার সমস্যায় ভুগতে কার ভালো লাগে বল।
৩১
পিসেমশায়,থমকা লাগানোর আগে ভ্যাম্পায়ারের গল্প বললেন। তিনি বললেন, জানিস তোরা পাড়ায় একটা সুন্দরী মেয়ে ঘুরে বেড়ায় কয়েকদিন ধরেই। এত সুন্দরী মেয়ে এপাড়ায় আছে বলে তো মনে হয় না। রমেন বলল, চায়ের দোকানে চা পান করতে করতে। তার বন্ধু বিমান একটু নারীঘেঁষা পুরুষ। সে বলল, আহা মেয়েটাকে বিছানায় কেমন মানাবে বল তো? মেয়েটি ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, আমি রাজি। যাব তোমার সঙ্গে। রমেন বলল, এত দূর থেকে আপনি কি করে কথা শুনলেন।মেয়েটি বলল, আমি শুনতে পেলাম। তাই বললাম। রমেন বললো, আমাদের বন্ধু অনেক। কেউ না কেউ চায়ের দোকানে থাকে
বিমান বলল, আমিও রাজি। চল আমার সঙ্গে।
রমেন বলল, যাস না। জানি না শুনি না। মেয়েটাকে নিয়ে তুই চললি বিছানায়?
বিমান একা। অকৃতদার সে। বাড়ি ফাঁকা। বেশ আয়েস করে বলল, চল সুন্দরী তোমার কোন অভাব রাখব না।
রমেন পরের দিন রাতে বিমানের বাড়ি গেল। বিমান চায়ের দোকানে আসে নি। হয়ত সুন্দরীর পাল্লায় পরে সব ভুলে গেছে।
রমেন বিমানের বাড়ি ঢোকার আগেই একটা বাদুড় ডানা ঝটপট করে বেরিয়ে গেল বিমানের বাড়ি থেকে। সে দেখল, বিছানায় বিমানের রক্তাক্ত দেহটা পড়ে। পুলিশকে ফোন করল সে। পুলিশ এসে দেখল, বিমানের ঘাড়ের কাছে দুটো দাঁতের দাগ। গলার নলিতে কামড়ে কে যেন নলি ছিঁড়ে নিয়েছে।কোন রক্তচোষা তার রক্ত চুষে শেষ করেছে।
গোয়েন্দা আনল পুলিশ। সুমনবাবু পেশাদারি ডিটেকটিভ। তিনি কোনোদিন এরকম রক্তচোষার হদিশ পান নি। এখন তার ইন্টারেস্ট বেড়ে গেলো।সহকারি রতনকে বললেন, সবসময় সাবধানে থাকবি।
রতন বলল,এই ভ্যাম্পায়ার কেমন হয়?
সুমন বললেন, একটি লোককথা আছে। একটি প্রাণী যারা জীবিত প্রাণীর রক্ত খেয়ে বাঁচে। ভ্যাম্পায়ার অনেক সংস্কৃতিতে দেখা যায়। ইতিহাসবিদ ব্রায়ান ফ্রস্ট বলেন,”রক্তচোষা দৈত্য ও ভ্যাম্পায়ারে বিশ্বাস মানুষের অস্তিত্বের মতোই একটা পুরানা ব্যাপার। “ভ্যাম্পায়ার শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৮ শতকের প্রথম দিকে। এই ধরনের কুসংস্কার বেড়ে ওঠে। ভ্যাম্পায়ার কুসংস্কারের মাত্রা যতই বাড়তে থাকে মানুষের মাঝে হিষ্টেরিয়া বাড়তে থাকে। একটা জনপ্রিয় উপন্যাস স্মরণ করা যায় রক্তচোষা সাহিত্য হিসেবে।এই বইটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, এমনকি এই শতাব্দীতেও এটা সমান জনপ্রিয়। রতন বলে, সেরকম কিছু সন্দেহ করছেন নাকম?
সুমন বললেন, দেখা যাক, এখন কি হতে পারে।
সুন্দরী মেয়েটা ধপধপ করে আজও বেড়াচ্ছে। রমেন দেখল চায়ের দোকানে পাশে এসে বসে কুকুুর দাঁত বের করে হাসছে। রমেনের পাশে সুমন ও রতন আছে। রমেনও জানে না। তারা আছে ছদ্মবেশে। রমেনেরর সন্দেহ হলো এই মেয়েটাকে তার বন্ধু বিমান নিয়ে গিয়েছিলো। অথচ বিমানের রক্তাক্ত দেহ বিছানায় পড়ার সময় তাকে তো দেখা যায়নি। মেয়েটি কি খুনী? রমেন বুঝতে পারে না, রহস্যটা কি?
সুন্দরী মেয়েটি রমেনকে ছেড়ে আর একটি ছেলে সোম কে বলল, যাবে নাকি তুমি বিমানের মত আমাকে নিয়ে? তোমার বন্ধু অনেক টাকা দিয়েছে। তবে তোমার কাছে টাকা নেব না।
সোম বলে, তোমার মত সুন্দরীর সঙ্গে যেতে পারলে ধন্য হয়ে যাব। চল চল..
সোম আর মেয়েটি চলে গেল। পরেরদিন একই ঘটনা। সোমের রক্তশূণ্য শরীরটা ইলেকট্রিক তারে ঝুলে আছে। মেয়েটি লাপাত্তা।
পুলিশের দল হাজির। রতন বলল,আমরা ফলো করেছিলাম। কিন্তু আমরা কাউকে দেখতে পাই নি।
সুমন বললেন, আমি একটা কালো বাদুড় দেখেছি।
পুলিশের আই সি বললেন, তাতে কি হয়েছে? এখানে বাদুড়ের সঙ্গে কি সম্পর্ক খুনের?
সুমন বললেন, রহস্যময়। অনেক পরিবর্ধিত ধর্মীয় উপাসনার পদ্ধতিতে ভ্যাম্পায়ারকে বাদুড় রূপে খুঁজ়ে বের করা যায়। এজন্য প্রথমে একটা কুমার বালককে কবরের কাছে নিয়ে আসতে হবে অথবা একটি ঘোড়াকে। সাধারণত কালো ঘোড়া আর সাদা ঘোড়া দরকার হয়। যে কবরে ভ্যাম্পায়ার থাকে তার মাটিতে তখন গর্ত সৃষ্টি হয়। মানুষের মৃতদেহকে ভ্যাম্পায়ার হিসেবে ভাবা হয় অনেক সময় যেগুলোর পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যায় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সন্দেহজনক কবর খোঁড়া হলে পাওয়া যায় সারা মুখে শিকারের রক্তমাখা মৃতদেহ বা ভ্যাম্পায়ার। গবাদি পশুর মৃত্যু বা আত্নীয়, প্রতিবেশীর মৃত্যুকে ভ্যাম্পায়ারের প্রমাণ হিসেবে দেখা যায়। আই সি বললেন, আশ্চর্য আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। আমরা ভুলেও বাদুড় ঢুকলেও গুরুত্ব দিতাম না।
সুমন বললেন, আজকে আমরা গ্রেপ্তার করব মেয়েটিকে। আমার মনে হচ্ছে সেই ভাম্পায়ার ওই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া ছেলেগুলোকে এবং রক্ত রক্ত চুষে খেয়ে নেয় তারপর ছুঁড়ে ফেলে দেয়। একসময় ওরা একটা সুন্দর মেয়ের রূপ ধরে থাকে। আবার বিকেলে রমেন চায়ের দোকানে দেখল মেয়েটিকে। সুমন, রতন সকলেই আছে দোকানে। মেয়েটি রমেনকে বলল,এবার তুমি যাবে আমার সঙ্গে। রমেন শুনেছে খুনের কথা। তার ভয় হল। রমেন ছুটে পালাতে চাইলো। কিন্তু ছুটতে পারল না। পা দুটো যেন আঠার মত আটকে গেছে। রমেনের বিরক্তিকর মুখ দেখে মেয়েটি আর কিছু বলল না। সে আরেক জনকে বললো যাবে আমার সঙ্গে। সোম ভাবল, মেয়েরা এত নির্লজ্জ হতে পারে? কেউ ভাবতে পারিনি। তবু সেই ছেলেটি বলল,হ্যাঁ যাব। সুন্দরী বলল, আমি রাতে দেহ ব্যবসা করি। লজ্জা করলে হবে বলো নাগর? ছেলেটি আহ্লাদিত হল। সে বলল, আমার গাড়ি আছে পার্কিং জোনে। চল গাড়ির ভিতরে যাই। সুমন আর রতন ঘাপটি মেরে বসে থাকল। কিন্তু কিছুই দেখতে পেল না তারা। আবার সকাল হলে ছেলেটিরও রক্তমাখা দেহ পরে থাকতে দেখল সবাই। রমেন থানায় ফোন করে বলল, একটা মেয়ের সঙ্গে রাতে ছেলেটি ছিল। মেয়েটিই খুনী মনে হয়।আজ রাতে পুলিশ সদলবলে চায়ের দোকানে বসল সিভিল ড্রেসে। রমেনের কাছে মেয়েটি এল। সে রমেনকে বলল,এবার তোমার পালা। চল আমার সঙ্গে।
রমেন কাঁপতে শুরু করল। সুমন, রতন, পুলিশরা সক্রিয় হল। মেয়েটিকে ধরে নিয়ে চলে গেল থানায়। রাতে বন্দি হল সে। লক আপে চুপকরে বসে থাকল আর হাসতে লাগলো সজোরে। তার হাসি শুনে পুলিশদের মনেও ভয়ের সঞ্চার হল।
পরের দিন সকালে আই সি দেখলেন, গারদের মেঝেতে কেউ নেই । সুমনবাবু বললেন, আছে। সিলিং থেকে ঝুলছে একটা বড় কালো বাদুড়। গেট খোলা মাত্র বাদুড়টা উড়ে গেল আই সি র মুখে ডানার ঝাপটা মেরে। রতন সকলের সামনে বলল, তাহলে এটা রক্তচোষা ভৌতিক ক্রিয়া।
সুমনবাবু বললেন, ২০০৬ সালে রাশিয়ার কাছে ১৬ শতকের একটি কবরে মুখে ইট দেয়া একটি মহিলা মৃতদেহ পাওয়া যায়, যা ভ্যাম্পায়ার জবাই করার উপাসনার প্রমাণ হিসেবে দেখা যায়। কবরে গরম জল ঢেলে দেওয়া যা পুরো দেহকে পুড়িয়েও ভ্যাম্পায়ার তাড়ানো যায়। গরম পানিতে চুবিয়ে বা গুলি করেও ভ্যাম্পায়ার মারা যায়। এমনকি গরম লোহার গুঁড়ো ছিটিয়ে ভ্যাম্পায়ার হত্যা করা যায়। ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে টোমা পেতরের কিছু আত্নীয় অভিযোগ করেন যে সে ভ্যাম্পায়ার হয়ে গেছে। তারা তখন কবর ভেঙ্গে তার মৃতদেহকে তুলে ফেলে, তারপর তার হৃৎপিন্ড তুলে আগুনে পোড়ায় ও ছাই মিশ্রিত জল খাইয়ে দেয়। আধুনিক আন্দোলনে ওদের জীবন একটি অনুপ্রেরণার নাম। ভ্যাম্পায়ারদের ধূর্ত শিকারীসুলভ মনোভাব,তার মন্ত্রপুত ক্ষমতা তার একটি শক্তিশালী ভাবমূর্তি গড়ে তোলে যা ধর্মীয় উপাসনাতে, শক্তির কাজে ও মন্ত্র সাধনায় সর্বোপরি একরকম ধর্মীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলে। অনেকক্ষেত্রে ভ্যাম্পায়ার কে রক্তচোষা বাদুড়ের রূপে কল্পনা করা হয়। আই সি বললেন, আমি তো দুটেো গুলি করলাম। মরল না কেন? সুমনবাবু বললেন, নিশানা ভুল ছিল। গুলি বাদুড়ের গায়ে লাগেনি। লাগে নি ভালোই হয়েছে। আই সি বললেন, কেন? এরকম বলছেন কেন? গোয়েন্দা সুমন বললেন, গুলি লাগলে ভ্যাম্পায়ার মরার আগে আপনারও রক্তচুষে শেষ করত।
ও হচ্ছে ভয়ংকর হিংস্র ভূতদলের ভ্যাম্পায়ার নায়িকা।
আমরা শুনে বললাম, আপনার স্টকে এরকম গাঁজাখুরি গল্প কি অনেক আছে। পিসেমশাই রেগে বললেন, এবার তোদের থমকা লাগাবো। ভয় পেলে চলবে না কিন্তু।