অনন্ত – অন্তরা 

অনন্ত—এই অনন্ত- এইদিকে আয় –
ওকে – এই আমি যাই রে—আবার দেখা হবে কাল- বাই ।
আমাদের খাওয়ানোর জন্য তোকে অনেক ধন্যবাদ দোস্ত –
সবাই একসাথে জোরসোরে বলল – সেই আনন্দের মজাই অন্যরকম !এই চল যাই –
আগে বল তুই কল দিলি কেন? আমি না তোকে একদিন বলেছি – ক্লাসের সময় কল দিবি না – কিন্তু কেন দিলি – এতো কান টানি তাও লজ্জা হয় না ।
দ্যাখ আমি ভুলে গিয়েছিলাম এই মাত্র মনে পড়লো – আমি আরো উল্টো রাগ হয়েছি কেন কল কেটে দিলি আমার । এখন উল্টো আমাকে শাসানো হচ্ছে –
বেশ ভালো – ভুলে যাওয়া কি আমার দোষ তাই তুই আমাকে শাসাবি?
হ্যাঁ শাসাবো- তুই কি ছোট পোলাপান যে কথায় কথায় পোলাপান সাজোস! ভুলে যায়- পরীক্ষায় তো ভুলিস না তখন তো রেজাল্ট সে-ই ।
হা হা হা – আমার সে-ই তুই বলবি ক্যান ?
তোর রেজাল্ট যে সে-ই তাই না বলে উপায় নাই ।
থাক হইছে চল- সময় অনেক কম-
কোথায় যাবো?
তুই আগে রিক্সায় ওঠ্‌ তারপর দেখি কোথায় যাওয়া যায়-
রিক্সার দু’জন চেপে বসলাম- বল এবার কোথায় যাবি- কী খাবি?
বাহ্‌ সব আমার উপর?
হ্যাঁ তুই বলবি আমি খাওয়াবো-
না, এইভাবে বললে আমি বলতে পারবো না-
আচ্ছা গুন্ডি তুই! বল কী খাবি এবং সেটা কোথায়? তাড়াতাড়ি বল তানাহলে রিক্সা ঘুরাতে হতে পারে-
গুন্ডির উত্তর পরে পাবি- ওকে তিনশ’ ফুট চল- না হয় গুলশানের ইউনিমার্টে চল ওখানে এক ছাদের নিজে ২৬ রেস্তোরা আছে দেখেশুনে কোন একটায় বসে পড়বো,যাবি?
তিনশ’ ফুট তো কয়েকবার গেছি আজ না হয় গুলশান যাওয়া যাক – ডান- ভাই সামনে রিক্সা থামান, ওখান থেকে সিএনজিতে যাই কি বলিস?
হ্যাঁ ঠিক আছে- হ্যালো মা আমি অনন্তর সাথে, আসতে একটু রাত হতে পারে কোন চিন্তা করা না বাবাকে বলে দিও কেমন—রাখছি ।
চল চল আবার সিএনজি চেপে ফটফট শব্দ আর রাস্তার যত ধুলাবালি সাথে ফ্রী সুগন্ধী সব নেব ভাগাভাগি করে- ধুর উবার ডাকা ভালছিল- আমার স্মার্ট ফোন নাই তোরতো আছে, ভুলে গিয়েছিলাম, তুইতো আর কচি খুকী নয় তুই ভুলে গেলি কিভাবে? এবার জবাব দে ?
আমার উবার পছন্দ নয় তাই ডাকি নাই। বুঝছিস গাধা?
তুইতো বড় উকিল জিতে যাওয়ার জন্য এইমাত্র মিথ্যা বললি ।
বেশ করেছি চুপ করে বসে থাক ।