অনন্ত – অন্তরা 

নিবেদন

তোমার কটাক্ষ;
দু’টি অশ্রু ভরা চোখে
মায়ামৃগ ছবি ভাসে,
ভরা চোখের ঝরা
প্রতিটি ফোঁটা তুমি
বিহীন একলা অস্তিত্বহীন
নিবিড় অনুভবে শুকিয়ে
রয় । তৃষ্ণার জল দেবে?
অবারিত শুন্যবুক জল
শূন্যতায় কাতরাচ্ছে,
দমে দমে শুধু তৃষ্ণার
জল অনুচ্চারিত পিপাসা
শুন্যবুক ভরে দিতে
মরুর বুকে হাহাকার ।
সে যে আমার প্রিয় গন্ধ
জীবন জুড়ে তারই ছন্দ,
সে ছন্দেই শুধু তুমি হলে
হৃদয়ের একমাত্র প্রেম
নিরঞ্জন । পথে পথে
ঘুরি কত নদী জল গেল
নিরবধি পদচিহ্ন এঁকে,
তুমি শুধু হৃদয়ে চিহ্ন
এঁকে দিলে খোদাই করে ।
প্রেমের অমর সরোবরে
অনন্ত ঘোরে ক্ষনিকের
সব মোহ ভুলে নিবদ্ধ
অপ্রতিম ছোট্ট জীবনের
শ্রেষ্ট দেখা গোগ্রাসে
অপূর্ণতার হিসাব মিলাতে
নিরন্তর পথ চেয়ে দু’টি
অশ্রুভেজা হাত উঠে
নিজেরই অজান্তে অসহাত্ব
ঘুচাতে, বেদনার নীলে
প্রেমের সরোবর জাগাতে
গোলাপের পাপড়ির মত
নরম দু’টি ঠোঁটে আবার
হাসি ফোটাতে হৃদয়ে জড়িয়ে
স্বপ্নে ডুবে প্রেমের আঁকরে
দু’টি জীবন এক হয়ে ফিরে
আসতে নিবেদন ।