অনন্ত – অন্তরা

এমনিতেই ভালো লাগছিল না তাই মনের উপর তার প্রভাব আর কিছু না ।
কিন্তু তোর চোখে কিছু একটা লুকিয়ে বিষণ্ণতায় প্রলেপ ঢেলে কথার গাঁথুনি দি্লি গেঁথে- এটা কি ঠিক করলি?
এই তুই সমাজ কল্যাণ নিয়ে না পড়ে বাংলায় পড়লে অনেক বেশী ভালো করতিস- সব কথায় সাহিত্যের রস খুঁজিস! হি হি হি —- তাহলে শোন আমার মনে না আসলেও কেন যেন এখন কথাটা তোকে না বললে আমার মনের মধ্যে খচ খচ করবে – হুম – তুই জানতি আমার আজ জন্মদিন তাহলে আমাকে রাত ১২টা ১ মিনিটে Wish করলি না কেন? এই জন্য আমার মন একটুও কি খারাপ হতে পারে না? তো মন খারাপের জন্য একটুস খানি হলেও তুই দায়ী ছিলি ।
তাই বুঝি দোস্ত? আমি তো বুঝতেই পারিনি তুই আমার অপেক্ষায় ছিলি? কেন তোকে ১২টা ১ মিনিটে কেউ wish করেনি?
হাজার করুক আমি তোর কথা বলেছি –
ইস-ওকে সরি এরপর আর কখনও ভুল হবে না – একটু স্বাভাবিক হলে কী হয় ।
আমি সব সময় স্বাভাবিক – তুই কথা তুললি তাই কথার পিঠে কথা না বললে ঐ কথা আর কখনও বলা হয়ে ওঠে না বা হয়ে উঠলেই সময়ের এক ফোট অসময়ের দশ ফোটের সমান হয়ে ওঠে বুঝলি – তাই বলে ফেললাম ।
এই যখন তোর ভালবাসার মানুষ হবে তখন কী ১২টা ১ মিনিটের আসনটা আমার জন্য শূন্য থাকবে ? ভেবে চিন্তে বলিস কিন্তু !
তুই এই আমাকে চিনলি ? তোর সাথে আমার আর কোন কথা নাই –
আরে আমি তো অপ্রিয় সত্য কথাটি বললাম – তুই সহজ করে নিতে পারবি না আমি তো বুঝতেই পারিনি — গুমড়া হয়ে থাকিস না আজকের এই শুভ দিনে প্লিজ একটু হাস- প্লিজ —-
আমি কষ্ট দিতে কথাটা বলিনি – এই কান ধরলাম- উঠবোস করার সুযোগ থাকলে করতাম – গাড়ির মধ্যে তাই —– একটু হাস না প্লিজ ।
হি হি হি — হইছে? তুই জানিস না – আমি প্রেমে বিশ্বাসী না – বিয়ে আগে কোন প্রেম নয় – যা হবে বিয়ের পর- তাহলে তুই ঐসব কথা কেন বললি?
আমি কী বিয়ের আগের কথা বলেছিলাম নাকি — যদি তাই হবে তাহলে Boy Friend বলতাম-
এইবার নিশ্চিত ধরা উকিল সাহেবা !!!