জাগো হে বাঙালি

জাগো হে বাঙালি জাগো হে সব
জাগো মাঝরাতে কর হে রব,
জাগো হে যাত্রী নিঝুম রাত্রি
জাগো একসাথে আনো প্রভাত।।
কোথায় তোমার শক্ত দাঁত- আর
কোথায় তোমার ধারালো নখ,
চিনে নাও আজ মুখ গুলো সব
ধান্দাবাজেরা জব্দ হোক।
দেঁতো হাসি আর ঠান্ডা ঘরের
শুধুই বড়াই, লড়াই না,
দাঙ্গাবাজের কঠোর চাহনি
মিথ্যা লড়াই ডরাই না।
এসো হে বাঙালি, এসো হে তরুন
অরুণ , বরুণ কিরণ রা,
এসো এসো আজ ডঙ্কা বাজিয়ে
এসো দূর করি শঙ্কা রা।
কোথায় তোমার শক্ত চোয়াল
কোথায় তোমার যুক্তি মন,
কোথায় তোমার মানবতাবাদ
কোথায় তোমার দৃঢ় নয়ন।
দেখনি কি তুমি যত ধড়িবাজ
জীবন জুড়ে ফাঁদ পেতে,
হাতে হাত রেখে কর হে লড়াই
করো হে যুদ্ধ আজ হতে।
ভুলে কি গিয়েছো এ, পি, সি, রয়
ভুলে কি গিয়েছো সত্য বোস,
তুমি কি ভুলেছো লৌহ নেতা
তুমি কি ভুলেছো সুভাষ বোস।
যদি তুমি হও সেই বাঙালি
ভুলেছো কি আজ সেই হাসি,
ভুলেছো কি সেই পরিব্রাজক
গেরুয়া ধারী সন্ন্যাসী।
মনে রেখো তুমি সেই বাঙালি
সত্যজিৎ আর রবির রব,
নোবেল কিম্বা ডিলিট পেলেও
আজকে এমন শ্রান্ত শব।
জাগো হে বাঙালি তেপান্তরে
জাগো হে বাঙালি বিদেশে আজ,
আজ বাংলার কঠিন ভূমে
যুদ্ধে যাওয়ার কুচকাওয়াজ।
এসো হে বিজ্ঞ ধরো ধরো হাল
এসো হে বুদ্ধি-জীবীর দল,
এসো বসো আজ শপথ করি
এসো হে বাড়াই জাতির বল।
বাঁধ বেঁধে দি ঘুষ খাওয়াতে
বাঁধ বেঁধে দি কাটমানি,
চোখ রাঙানির দেবো হে দাওয়াই
হবেই হবে নত জানি।
আসুক যতই ঝঞ্ঝা ঝড় আর
আসুক যতই বিভেদ বল,
আসুক যতই অসৎ পান্ডা
থমকে দেবোই এগিয়ে চল।
হাসতেই হবে লড়তেই হবে
কেটে যাবে সব অমানিশা,
উড়বেই সেই জয়ধ্বজা
ক্লান্তি মোচন এক দিশা।
এসো হে বাঙালি এসো হে বিজয়ী
জগৎ জোড়া তোমার নাম,
এসো হাত ধরি সাম্যের সাথে
এসো পুরো করি মনস্কাম।
জাগো হে বাঙালি জাগতেই হবে
তর্জনে আর গর্জনে,
পূর্ব পুরুষ হাসবে হাসি
দেবী পক্ষের তর্পনে।