১| আমার ঠিকানা!

দেখতে আমায় যেমন তেমন,
হৃদয় খানা মোর বড়ো ;
পৃথিবীটা সবই আমার,
কেনো মনে হয় এমন তরো?
রক্তের বাঁধনে সিমাবদ্ধ নই,
এসব কথা মনেই থাকে ;
শোনার লোক বলো কই!
ভাবনাটা তুলে ধরছি,
শোনো কেনো এমন তরো!
স্টেশনে বললো কেউ ;
বাড়ি তোমার কোথায় ,
তখন আমি গ্রামের নাম,
বলবো থাকি যেথায়!
আবার ধরো স্টেশন ছেড়ে,
দূরে অনেকটাই,
তখন কিন্তু স্টেশনটা
বাড়ি আমার ভাই !
পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে যখন
অন্য রাজ্যে যাবো ;
তখন কিন্তু বাড়ির ঠিকানা,
পশ্চিমবঙ্গে খুঁজে পাবো!
ভারত ছেড়ে যখন,
রাশিয়া দেবো পাড়ি ;
পুরো ভারতটাই তখন,
হবে আমার বাড়ি!
পৃথিবীটা যখন শেষে,
যাবো আমি ছেড়ে ;
মাটির মায়া কাটিয়ে যাবো ;
ডাক্তার গেলে হেরে ;
মহাশূন্যো থেকে তখন,
খুঁজবো পৃথিবীটা কে!
এতোদিন আমি আমার,
বাড়ি ভাবতাম যাকে!

২| ধন্য আমি

ছড়িয়ে ছিটিয়ে সবখানেই তুমি,
এ কি আঁখি দিলে মোরে!
সাবাস্, সাবাস্, সাবাস আঁখি মোর,
বাহবা দিই শত তোরে।
মোর কর্ণে প্রবেশে, তব বাণী সদা,
তোমার তোমার জয়ধ্বনি ;
সাবাস্ কর্ণ, সাবাস্ দিই তোরে,
এটাই শ্রেষ্ঠ আমি মানি!
হাত দুটি মোর ছুঁয়ে কেবলই ,
তব রাঙা চরণ দুটি ;
কি আনন্দে নাচে মন প্রাণ ,
এ যে অপূর্ব অনুভূতি!
পদদ্বয় নাচে তালে তাল দিয়া,
দেখে তোমায় অনুপম ;
নয়ন দুটি ঝলসে ঝলসে ওঠে,
তব রূপ হেরি মনোরম্!
তুমি ছাড়া কিছুই আর দেখিনা ;
বুঝিতে চাহি না কিছু,
তোমার কাছে নিঃস্ব হয়ে আমি,
প্রভূ, তোমার নিয়েছি পিছু।।