পৌষ এলো ঘরে।
বাঙালী যত পার্বন করে।
"আউনি বাউনি চাউনি
এই তিনদিন তিনরাত
বাইরে কোথাও যাউনি!
আমার ঘরে থেকো, একসাথ!
পিঠেপুলি মনের সুখে
নিজ হাসি মুখে
খেও ভরে পাত! "
পৌষ সংক্রান্তীর পার্বনে গিন্নী এই মন্ত্র বলেন।
আর সংসারে পিঠেপুলির পার্বন চলে।
এই পিঠের সঙ্গ হল - গুড়, নলেন।
ঘরের রমনীগণ দুহাতে পিঠে সলেন।
আপন অন্তরের শক্তি-বলে।
আর এসবের সাথে দেয় সাথ
চির প্রিয় জয়নগরের মোওয়া।
আহা এই শীত উৎসব, ও,
বাঙালীর পরান ছোঁওয়া।
এই আদি সংস্কৃতিতেই কুলীন আজও
সারা বিশ্বের বাঙালী জাত।
পৌষ সংক্রান্তীতে ডুবে স্নান,
গঙ্গা সাগরের জলে।
ওহো বড় পুণ্যর কাজ ও!
এরপর বাঙালীর চলে
মুক্ত হস্তে দান.......
আর তারপর আবলবৃদ্ধবনিতা অতি সুখে
সকলেই খায় হাসি মুখে
....... গব গব গব গব গব, ও ......
গৃহের বানানো পিঠেপুলি যত।
ওঃ এতে হৃদয়ের পরশ কত!
কত পুরোনো এ পার্বন পর্ব।
তবুও এ ঐতিহ্য চির নব, ও।
এ তো পারিবারিক গর্ব।
সমস্ত বাঙালীকে মাতায়,
পিঠে পিঠে পিঠে
খুব মিঠে,
কলরব ও, রব ও ....... ।
বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বন।
সবার চেয়ে সেরা পৌষ পার্বন।
এ পার্বনে বাঙালী পুজে শ্রী লক্ষী মাতায়।
0 Comments.