- 33
- 0
১০.১০.২৬ তারিখের- সাহিত্য হৈ চৈ পোর্টালের পাঠক প্রতিক্রিয়া-
অশোক কুমার ঘোষের কবিতা - বিদ্যাসাগর ভালোই স্তুতি কবিতা। স্বপন কুমার ধরের "বিজয়ী" ছড়া ও কবিতা মিশিয়ে ভালোই উপস্থাপনা। কুমার আশীষ রায় এর "কেন" বেশ ছন্দ ও তালের মধ্যে দিয়ে চলে শেষ হয়েছে। আশীষ কুমার চক্রবর্তীর কবিতা "শ্রদ্ধাঞ্জলি" বিদ্যাসাগরকে নিয়ে স্তুতি কবিতা সহজ ভাবে দক্ষ হাতের পরিচয়। সুশান্ত সেনের কবিতার "রূপকথা" ভুলে যাওয়া বিষয়কে পুনর্জাগরণ করেছেন। রুপা চক্রবর্তী "দুর্গাপূজা"তে পরোক্ষভাবে কয়েকটি সমস্যা তুলে ধরেছেন। দিপ্তেন্দু চ্যাটার্জীর কবিতা "ব্যাঙ" সহজভাবে ভালোই লিখেছেন। অভিজিৎ দত্তের "দেবী দুর্গা" সত্যিই একটা ভালো প্রতিবাদী কবিতা। তপন মাইতির কবিতা "প্রকৃতি ও জীবন" ভালোই হয়েছে। উপমা থাকলে আরো ভালো হতো। যেমন 'পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি' , আবার 'নাটোরের চোখ যেন বনলতা সেন।' এইসব।
জয়দেব দাসের "অদ্ভুত কান্ড" গদ্য কবিতার স্টাইলে লেখায় একটা ছোট চিত্রনাট্য ফুটে উঠেছে। চলচ্চিত্রে ডিরেক্টররা চিত্রনাট্য থেকে চলচ্চিত্র তৈরি করেন। মোঃ মনিরুল আলমের লেখায় "কাটবো না আর গাছ" কবিতার আঙ্গিকে ছড়ার মধ্যে দিয়ে পরিবেশ সচেতনতা জাগিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা দেখিয়েছেন। লিলি সেনের "দেখিনা", মৌসুমী সীমা ব্যানার্জীর "শরৎ এলো", ভাগ্যধর মল্লিকের "আবোল তাবোল", স্বপন কুমার ধরের "বিজয়ী" সুন্দর প্রচেষ্টা। দীপঙ্কর বৈদ্যের "ডানাভাঙ্গা রোদ্দুর গল্পটির সারমর্ম এই গানটির মধ্যে রয়েছে। 'জীবনটা ভাই রেলের গাড়ি,
আমরা সবাই যাত্রী যে - কি জানি চলেছি , কোন ঠিকানায়।' ... চন্দ্রমা মুখার্জীর আত্মকথার উপস্থাপনা ভালোই। তার উত্তরোত্তর সাফল্য আমরা সকলে কামনা করি।
সমীরবরণ দত্তের হিমালয় ও বিন্ধ্যাচল ভারতবর্ষের পৌরাণিক গল্প মিশ্রিত লেখাটি বিজ্ঞানভিত্তিক ও শিক্ষণীয়। রাজকুমার ঘোষের ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস "বিট্টুর সঙ্গী" তে ঘোতন - ক্রিমিনাল হলেও মনের পরিবর্তন দেখিয়েছেন। আর প্রাচীনকাল থেকে হিন্দু ধর্মের ও বৌদ্ধ ধর্মের সহাবস্থান ছিল তা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। পরবর্তী ঘটনার জন্য আগ্রহ জাগিয়েছে এই পর্বে। লিস্ট অফ রাইটার অতিরিক্ত পাওনা। সম্পাদক রাজকুমার ঘোষ ও প্রকাশক ঋষি ভট্টাচার্যকে ধন্যবাদ।
0 Comments.