- 16
- 0
দীপঙ্কর বৈদ্যের "শুভ বিজয়া" গল্পে বাস্তব সাংসারিক জীবন তুলে ধরা হয়েছে। বিশাল সম্পত্তি থেকেও ঘরে থাকার মানুষ নেই। ভোগ করবে কে? আধুনিক এই
সমস্যা, ভবিষ্যতের একটা ইতিহাস হয়ে থাকবে, জয়দেব দাসের "দাপট" গল্পে ডাক্তার বাবুর বাজার করা বা মাছ কেনায়, বনফুল (বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের) হাটে বাজারে সিনেমাটির কথা মনে পড়ল। সিনেমাটি খুব ভালো উপভোগ করেছিলাম।
মনিরুল আলমের কবিতা "সময়" মনে পড়ে যোগীন্দ্রনাথ সরকারের "কাকাতুয়া" কবিতাটি। কবিতাটির কয়েকটি লাইন- "কাকাতুয়া কাকাতুয়া আমার যাদুমনি / সোনার ঘড়ি কি বলিছে? বল দেখি শুনি / বলিছে সোনার ঘড়ি টিক টিক টিক।
যা কিছু করিতে আছে করে ফেলো ঠিক। সময় চলিয়া যায় নদীর স্রোতের প্রায়/
যে জন না বুঝে তাকে ধিক শত ধিক।" দিপ্তেন্দু চ্যাটার্জির কবিতা "আংলা বাংলা",
তপন মাইতির "দিনমজুরের মেয়ে", দেবকুমার মুখোপাধ্যায়ের কবিতা "শুভেচ্ছা",
অনুপ দাসের "সাধু সাবধান", অঞ্জলি মুখার্জির "আসছে পুজো", কুমার আশীষ রায়ের -"যোগ্য বনাম অক্ষম, গোপা চক্রবর্তীর "দুর্গতিনাশিনী দুর্গা" তীর্থঙ্কর সুমিতের
"ভুত নিয়ে ভুতুরাম" প্রত্যেক সাহিত্যিকের কবিতাগুলি যথাযথ সুন্দর হয়েছে।
ভাগ্যধর মল্লিকের "ছোটর দাবি" কবিতাটি খুবই প্রাসঙ্গিক। কবি কুমুদ রঞ্জন মল্লিক
এর কবিতা ছোটর দাবি আমাদের সময় উচ্চমাধ্যমিকে পাঠ্য ছিল। সিলেবাস চেঞ্জ হয়ে গেল। মূল্যবান গদ্য পদ্য হারিয়ে গেল। সমীর বরণ দত্তের লেখা অনুগদ্য "যদি বৃষ্টি না হয়" এটি পুরোপুরি সত্য। অভিজ্ঞতার কথা। সাহিত্য জগতে অনেক সাহিত্যিকদের এরকম অভিজ্ঞতা আছে। আশীষ কুমার চক্রবর্তী লেখা কবিতা "শিশুর প্রশ্ন" যথাযথ সুন্দর হয়েছে।
তথ্যসমৃদ্ধ লেখায় অংশুদেব শক্তি, সামর্থ্য ও ক্ষমতাকে তিনটি স্তর হিসেবে সুন্দর ভাবে বুঝিয়েছেন। সেই সঙ্গে শক্তিমান এনার্জি লুকিয়ে আছে প্রকৃতির মধ্যে লিখেছেন। সত্যিই তো সূর্যই তার প্রমাণ। গৌতম সমাজদারের স্বাস্থ্য সচেতনমূলক লেখা "শীতে ত্বকের যত্ন" প্রাসঙ্গিক লেখা। স্বাস্থ্যই সম্পদ। ত্বকের সঙ্গে স্বাস্থ্যের সম্পর্ক ভালোই। স্বাস্থ্য ভালো থাকলে, মন ভালো থাকে। মন ভালো থাকলে লেখালেখি। রাজকুমার ঘোষের ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাস "বিটুর সঙ্গী" ২৫ তমপর্বে আমরা এখনো ঘরে বসে জাপান শহরটাকে দেখছি। ইওকোহামা, টোকিও শহর জেনে, নাগোয়া দ্বীপটিকে জানলাম। তারপর কয়েকটি দ্বীপ ঘুরে, আইওই নামক আরেকটি দ্বীপ। জাপানের পর অন্য দেশের বিস্ময়কর কথা জানবার আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা।
এবারের সম্পাদকীয় খুব মনের মতন হয়েছে। শুধু কাশফুল, শরতে আকাশ বাতাস দিয়ে জায়গা না ভরিয়ে বাস্তব কথা দিয়ে সম্পাদকীয় যথার্থ পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।
যাদের লেখায় হৈচৈ পোর্টাল। তারা সকলে সাহিত্যিক। সাহিত্যিকদের বর্ণানুক্রমিক নামের তালিকা উপরি পাওনা। সম্পাদক রাজকুমার ঘোষ ও প্রকাশক ঋষি ভট্টাচার্যকে ধন্যবাদ।
0 Comments.