- 17
- 0
২৯.৮.২৬ "হৈ চৈ পত্রিকায়" সাহিত্যিকদের প্রকাশিত লেখায় - পাঠকের প্রতিক্রিয়া ।
দীপঙ্কর বৈদ্যের লেখা "স্বাধীনতার ছড়া" সহজ ভাবে সহজ ভাষায় লেখা। মনে দাগ কাটে। কুমার আশীষ রায়ের লেখা ছড়া "দেখাও করে হাতেনাতে" বেশ ভালই। সদ্য হয়ে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। আশীষ কুমার চক্রবর্তীর "বাইশে শ্রাবণ"
কবিতায় আমরা জানতে পারলাম - কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালে, সেই সঙ্গে আকাশবাণী বেতার কেন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সম্পর্ক। "মেঘের দেশে জিনিয়া" কবিতায় দক্ষতার সঙ্গে মোঃ মনিরুল আলম প্রকাশ করেছেন এক মর্মান্তিক বেদনার কথা। মহাকবি
নজরুলের বুলবুলকে মনে করিয়ে দেয়। গোপা চক্রবর্তীর লেখা "বৃষ্টি", তপন মাইতির লেখা "কলকাতার যান" দেব কুমার মুখোপাধ্যায়ের "খেলাগাড়ি" বেশ ভালই। পাকা হাতের লেখা। সাহিত্যে একটা সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে। গৌতম সমাজদারের "স্বাস্থ্য সচেতনমূলক
লেখায়" তা পরিস্ফুটিত হয়েছে। দই ও ফলের গুরুত্ব জেনে অনেকে উপকৃত হবেন। বিশেষ করে যাদের শরীরে ক্যালসিয়াম কম। অশোক কুমার ঘোষের লেখা "হামদোর ভাই- মামদো" গতবারের মতো এবারও মজা পেয়েছে সবাই। আমার লেখা কল্পগদ্য - "বৃষ্টির জলের সমাধান" একটি কল্প ভাবনা। যার সঙ্গে বিজ্ঞানের সম্পর্ক আছে। কল্প গদ্য/ কল্প গল্প, স্বাস্থ্য সম্পর্কীয় লেখা- হইচই পত্রিকার একটা আলাদা বৈশিষ্ট্য। রাজকুমার ঘোষের ধারাবাহিক কিশোর-উপন্যাস একটা নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। এই পর্বে তিনি দেখিয়েছেন - 'বাণিজ্যে বসত লক্ষ্মী'। অর্থাৎ বস্তাপচা এই চাকরি ভিত্তিক সমাজ জীবনের থেকে বেরিয়ে এসে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া শ্রেয়। যদিও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। অপহরণ ,ছেলে মানুষী এইসব নিয়ে - "বিট্টুর সঙ্গী" ধারাবাহিক কিশোর উপন্যাসটি এগিয়ে চলেছে। এখনো টানটান উত্তেজনা
রয়েছে।
সবশেষে জানাই সকলেই সাহিত্যিক ।
সকল সাহিত্যিকদের লেখাতে ও
অনুপ্রেরণা মূলক সম্পাদকীয়তে -
" হৈ চৈ পত্রিকা" সমৃদ্ধ। ৩১-৮-২৬।
0 Comments.