Sun 30 August 2026
Cluster Coding Blog

হৈচৈ কল্পগদ্যে সমীর বরণ দত্ত

maro news
হৈচৈ কল্পগদ্যে সমীর বরণ দত্ত

বৃষ্টির জলের সমস্যার সমাধান

বৃষ্টিপাত কোথাও এমন হচ্ছে যে বন্যা প্লাবনে ভেসে যাচ্ছে। কোথাও একেবারে বৃষ্টি নেই। প্রকৃতি ক্ষেপে গেছে। প্রতিশোধ নিতে তৎপর। বৃষ্টির জলের বিকল্প গ্রহণে- চাষের জন্য জল ব্যবহার হচ্ছে। ভূগর্ভে জল প্রায় শূন্য। পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে 

না কেন? বিজ্ঞানীরা বলেন- বাতাসে জলীয়বাষ্প কম থাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে না। ভারতবর্ষ খুব বিপদের মুখে। তখন স্মরণ করা হল - রাংটুলদাকে। রাংটুলদা দেখলেন এই সমস্যার সমাধান হয়, যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ বৃষ্টি হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাতের 

জন্য বঙ্গোপসাগরে - জলীয়বাষ্প বলয় তৈরি করা জরুরি। রাংটুলদা জানতে পেরেছেন প্রতি বছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জন্য বঙ্গোপসাগরে জলীয়বাষ্প তৈরি হয়। তার থেকেই ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টি। রাংটুলদা বললেন - "সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।"

দেশের কর্ণধারারা বললেন কিভাবে? কীভাবে? রাংটুল দা বললেন- আমাকে দুজন বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞানীদের কথামতো যাবতীয় মেশিন ও কলকব্জা সরবরাহ করবার আদেশ দিন। রাংটুলদার নির্দেশমত ও বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের পর, বঙ্গোপসাগরের নিচে কৃত্রিম ভূমিকম্প শুরু হলো। বঙ্গোপসাগরের নিচে ভূস্তরের বারো কিলোমিটার নিচে একটা ছোট প্লেট সরানো মাত্র ভূকম্পন শুরু হলো। দেখা দিল ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড় থেকে জলীয় বাষ্প। জলীয় বাষ্প থেকে মেঘ, মেঘ থেকে - বৃষ্টি। যা আগে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা দ্বারা ঘটতো। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাজটা রাংটুলদা করে দিলেন। রিমোট কন্ট্রোল দ্বারা। ভূগর্ভস্থ থেকে জল তোলা লাগলো না। বৃষ্টির জলের সমস্যা রইলো না।

Admin

Admin

dsaf  

0 Comments.

leave a comment

You must login to post a comment. Already Member Login | New Register