- 5
- 0
প্রকাশ
কবিতার রঙ আজ লাল,সব ভাষায় আবেগ
সব রাতের শেষে দিন আসে তবু ঘোলা কেন মেঘ
বসন্ত এসেছিলো তবু খরগোশটা দৌড়ে পালালো
প্রতি মুখের ওপর দিকে অন্য আকাশ লাগানো ।
শুধু ছবি বলে মৃত্যুর সময় কেমন নিশ্চিন্ত দেখাচ্ছিলো
অদ্ভুত একটা আলো সরে যাচ্ছিলো
এই চাঁদ ঠিক আমাদের সম্পর্কের মতো
যার বেশির ভাগই স্পষ্ট , আসলে আমরা এখনো খাঁচার পাখি
বশ্যতা যার স্বভাবে, আর বাঁচার লড়াই বুঝিয়ে দেয়
ধ্বংস সভ্যতার প্রতিটি অক্ষরে লেখা আছে বিচ্ছিন্নতা।
তার অর্থ কি সেই শীতল অনভূতি-
যা আমাদের আলাদা করছে!
এরপর ভাললাগা একঘেয়েমি,অভ্যাস কি বদলানো উচিত!!
আংশিক উন্মোচিত মসৃণ -দিনের অপেক্ষায়।
যে মানুষ জানে সে হারছে তার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন জন্মায় না
এতো সহজে সব উত্তর মেলেও না
মাথায় হাত দেওয়ার সময় একটা অনুভূতি
যেন দীর্ঘ যুক্তিনির্ভর প্রতিরোধ , যেন ভালোবাসার থেকেও বেশি কিছু
আর ভাবনার জগৎটা ছোট করতে শেখালো
কোনো সম্পর্ক নিষিদ্ধ বা একা থাকার এই সম্প্রতি বিকল্প উপেক্ষা করার উপায় নেই।
বিজ্ঞাপনের মতোই কঠিন কিছু
শৃঙ্খলে প্রথম ফাটল্, যেন দরজা ঠেলে কেউ টুকলো
আর পালিয়ে না গিয়ে মুখোমুখি বসার মধ্যে সততা আছে।
চলে গেলেন! অসুবিধে হচ্ছে না। "বরং অনেক বেশী কষ্টে দায়িত্বের স্তূপের সামনে আমি ক্লান্ত।
ভোগ্য! মুহূর্তের ভালোলাগায় সে আমার। প্রতিদিন অনিচ্ছুক সমুদ্র জলে অস্ত্রের রাজত্ব এলো অনিচ্ছুক হতে ও হতে একসময় কাঠের প্রতিমা হই।
ফুলে ওঠা ঠোঁটে কথা বলতে শিখি, বলতে পারো তখন আনুভূমিক। । তখন থেকেই শিখছি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ সমস্ত বিষাদের অবসান।
অশ্রুজল পুষে রাখি,অখণ্ড অবসর যদি থাকতো কাহিনী চমকপ্রদ হতো। ঘর খামখা হাসে,নিরিবিলি খুঁজতে ছাদে যাই,ফিরে সমস্ত তালার চাবি হারিয়ে বালির অবয়ব দেখি।
অমীমাংসিত সেই দিন নীল শিরা বেয়ে নেমে আসে শৈত্য প্রবাহ।
হাত থেকে পড়ে গেলে আর কেউ বকে না,মালা বদলাতে হাসে,বলে, আয়ু দীর্ঘ হলে এতো প্রেম হতো কি?
নিজেকে চিনতে শিখছি, আকর্ষণে খাঁটি বাঙালী হয়ে উঠছি,
দর্শক যেখানে ভাবাবেগ থেকে আলাদা দলিল, নিষ্ঠার রুপান্তরের নাম সম্পর্ক।
0 Comments.