- 5
- 0
পরিণত বয়সে প্রতিদিনের রূপচর্চা
সারাদিন নানারকম ব্যস্ততার মাঝে আলাদা করে প্রতিদিন রূপচর্চা করার মতো সময় কারোর হাতেই থাকে না। তবে প্রতিদিন কিছু রুটিন মেনে চললে ত্বকের সমস্যা হাতের বাইরে চলে যাবে না। মহিলাদের তিরিশ বছর বয়সের পর থেকে কেমন রূপচর্চা করা উচিত আজ সে নিয়ে বলব।
তিরিশের পর থেকে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমতে থাকে। সে জন্য ত্বককে ময়েশ্চারাইজ্ড করে রাখতে হবে সব সময়। এমনকি তৈলাক্ত ত্বকেও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
মুখ ধোবার জন্য ফেসওয়াশ এমন হবে যেন ব্যবহার করার পর শুকনো ভাব না মনে হয়। দিনে দুবার; সকালে এবং রাতে ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। দিনেরবেলা সানস্ক্রিন অবশ্যই প্রয়োগ করতে হবে, সেটা যেন 50 PA++ হয়।
রাতে ব্যবহার করতে হবে রেটিনল এবং পেপটাইড যুক্ত সিরাম বা ক্রিম।
কম ক্ষারযুক্ত গায়ে মাখার সাবান স্নানের জন্য বেছে নিতে হবে। স্নানের পর অল্প ভেজা গায়ে একটা বডি ওয়েল মাখলে ভালো হয়; সেটা অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল হতে পারে। সব ঋতুতে তেল মাখা পছন্দ না হলে, স্নানের পর, একটা মগের জলে ২০ ফোঁটা মতো নারকেলতেল দিয়ে ফেটিয়ে, মুখ বাদে গলা থেকে ধীরে ধীরে ঢেলে দিতে হবে। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে গায়ের জল মুছতে হবে।
যাঁদের ইতিমধ্যে বয়সজনিত ত্বকের সমস্যা চলে এসেছে তাঁরাও যদি এই রুটিন ফলো করে উপকার পাবে। আর যাঁদের তেমন কোন সমস্যা এখনো নেই তাঁরাও এইভাবে চললে, ত্বক অনেকদিন পর্যন্ত তরুণ থাকবে। এছাড়া মাসে অন্ততঃ একবার ফেসিয়াল করতেই হবে।
অনেকের পায়ের গোড়ালি ফাটা থাকে, তাদেরকে বলব বাড়িতে কখনো খালি পায়ে না হাঁটতে। নরম স্যান্ডেল বাড়িতে এবং রাস্তায় পারলে পা ঢাকা জুতো পরতে। রাতে গরম জলে নুন ফেলে পা ডুবিয়ে তারপর শ্যম্পু দিয়ে ব্রাশ দিয়ে পা ঘষে পরিষ্কার করে ফুটক্রিম অথবা ভেসলিন মাখতে হবে। মোটামুটি এই নিয়মগুলো হাজার ব্যস্ততাতেও মেনে চললে সবসময় ত্বক থাকবে ঝকঝকে।
0 Comments.