- 3
- 0
সভ্যতা বিকাশে মানভূম
টার্শিয়ারি যুগে (প্রায় ৬৬ মিলিয়ন থেকে ২.৬ মিলিয়ন বছর আগে) বর্তমান পুরুলিয়া বা পুরনো 'মানভূম' এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ আজকের মতো ছিল না। এই সময়কালটি মূলত হিমালয় উত্থান ও মহাদেশীয় পাত সঞ্চালনের সময়কাল, যা ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
টার্শিয়ারি যুগে মানভূম (পুরুলিয়া) অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশে একাধিক তুষারাবৃত পর্বতশ্রেণী ছিল। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অযোধ্যা (বর্তমানে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ চামতুবুরু), বানসা পাহাড়,বাঘমুণ্ডি, পাটঝালদা ,জয়চণ্ডী , পাঞ্চেৎ, ভাণ্ডারী, পরশা এবং গড় পঞ্চকোট। এছাড়াও মানভূমের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক টিলা,ডুংরি,অনুচ্চ পাহাড়।
ভূ-তত্ত্ববিদদের মতে তাদের মাথায় ছিল তুষারের মুকুট। এই পর্বত শৃঙ্গ গুলি থেকে জন্ম নিয়েছিল অনেক নদী। তাদের মধ্যে সর্ব প্রাচীন কপিসা যার বর্তমান নাম কাঁসাই বা পরিমার্জিত রূপ কংসাবতী।কপিসা নদীর উৎস ছিল ঝালদা শহরের উত্তরে পাটঝালদা পাহাড়ের উত্তর ঢাল থেকে। এছাড়াও প্রবল ভূ-আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট গ্রস্ত উপত্যকা বরাবর প্রবাহিত হয়েছে দামোদর। প্রবাহিত হয়েছে সুবর্ণরেখা। এছাড়াও মানভূমের বুক চিরে সৃষ্ট অসংখ্য ছোট বড় নদীগুলির মধ্যে কুমারী,টটকো, দ্বাকেশ্বর,গন্ধেশ্বরী। এগুলো মানভূমের পর্বত গুলি থেকে উৎপন্ন হয়ে কখনো একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে সাগর অভিমুখে ছুটে চলেছে অনন্তকাল। যেগুলি বরফ জলে পরিপূর্ণ হয়ে সমুদ্রের দিকে এগিয়ে চলতো। কখনো পূর্বমুখে আবার কখনো দক্ষিণ- পূর্ব মুখে। নদীগুলো ছিল বরফ গলা জলে নাব্য। তার প্রমাণ নিয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে কাঁসাই তীরে একদা বন্দর নগর দেউলঘাটা,পাকবিড়রা। অনাঘ্রাতা প্রকৃতি ছিল ঘন জঙ্গলে ঢাকা। যে জঙ্গলে ছিল নানা ধরনের বন্য প্রাণী আর পাখি। বর্ষায় বনের গাছ বৃষ্টিকে আহ্বান করতো। ধরনী হতো পরিপুষ্ট।
এছাড়াও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছে একাধিক জনবসতি। নদী সঞ্চিত পলল রাশি একদিকে যেমন কৃষিক্ষেত্র গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে অপর দিকে তেমনি পানীয় জলের যোগান ও যাতায়াতে সাহায্য করেছে।
এগিয়ে চলল মহাকালের রথ অনাদি অনন্তের দিকে। কালের নিয়মে পর্বত গুলি ধীরে ধীরে ভূ-প্রাকৃতিক শক্তিগুলির প্রভাবে এবং আবহবিকারের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে লাগলো। কমতে লাগলো পর্বত গুলির উচ্চতা, ঝরে পড়ল তুষার মুকুট। তাদের উচ্চতা কমতে কমতে সৃষ্টি হল দুই পর্বতের মধ্যবর্তী অববাহিকা। যেগুলো আজও আমরা তরঙ্গায়িত ভূমিরূপ হিসেবে দেখতে পাই। পর্বত ক্ষয় হতে হতে শিলা পরিবর্তিত রূপে পলি বালি নুড়ি পাথর রূপে পরিণত হতে থাকে। এই অঞ্চলের উপর দিয়ে বাহিত নদীগুলি ক্ষয়জাত পদার্থগুলো ক্রমশ পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্বদিকে বহন করে নিয়ে চলে। ভরাট করে সমুদ্রের প্রান্ত দেশ। সৃষ্টি করে পূর্ব রাঢ়। তাই রাঢ় দেশ সৃষ্টির পিছনে মানভূমের বক্ষ ধৌতিকরণকে অস্বীকার করা যায় না।
টার্শিয়ারি যুগের শুরুর দিকে জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র ছিল, যা রাসায়নিক আবহবিকার বা শিলা ক্ষয়ে সহায়তা করত। পরবর্তী পর্যায়ে এটি কিছুটা ঠান্ডা ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। এই অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতিতে টার্শিয়ারি যুগের বিশেষ শিলার স্তর (যেমন- ল্যাটেরাইট বা গ্রানাইট শিলা) পরিলক্ষিত হয়, যা এই সময়ে গঠিত হয়েছিল। টার্শিয়ারি যুগের শেষে মানভূম (পুরুলিয়া) একটি প্রাচীন, ক্ষয়প্রাপ্ত মালভূমি রূপে পরিচিতি লাভ করে। যা পরবর্তী ভূ-গাঠনিক কারণে পুনরায় উন্নত হয়। এটি ছিল তীব্র নদী-ক্ষয় ও ল্যাটেরাইট গঠনের সময়, যা আজকের এই অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতির ভিত্তি স্থাপন করেছিল। মানভূম বলতে কোন স্বল্প পরিসর স্থানকে বোঝায় না। যা বর্তমানে সমগ্র পুরুলিয়া জেলা, বাঁকুড়ার পশ্চিমমাংশ, বর্ধমানের পশ্চিমাংশ,অধুনা ঝাড়খণ্ডের রাঁচি , সিলি, মুরী, সোনাহাতু, বুন্ডু-তামাড়, ধানবাদ,
বোকারো এবং সংলগ্ন ওড়িশার কিছু অংশ।
মানভূমের প্রাচীন শিলাস্তর ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমির উপরি ভাগে সঞ্চিত হয়ে গড়ে তোলে চাষযোগ্য জমি। মানভূমের ঘন জঙ্গলে মানুষ শিখল পশুচারণ এবং ধীরে ধীরে অল্পস্বল্প চাষবাসও আয়ত্ত্ব করতে লাগলো। মানভূমের জঙ্গলে ফাগুন মাসের আগুনঝরা রূপ মানুষের মনে রঙয়ের নাচন লাগিয়ে দিল। আত্মপ্রকাশের উত্তাপ তাদের প্রাণকেও নাড়া দিল। শুরু হলো সাংস্কৃতিক অগ্রগতি। গড়ে উঠলো ছোট ছোট গ্রাম। নদী সংলগ্ন ছোট গঞ্জ বসতি। মানভূমের সংস্কৃতি যা কেবল মানভূমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, সেই অন্ধকার যুগে অনগ্রসর মানুষের জীবনে নিয়ে আসে এক সোনালী প্রভাত। গড়ে উঠতে লাগলো সমাজ ব্যবস্থা। জীবন পল্লবের নানা শিরা-উপশিরার সংস্পর্শে মানভূমের জীবন স্পন্দিত হতে থাকে। তাই বলা যায় অন্ধকার যুগে মানুষের জীবনে সাংস্কৃতিক অগ্রগতির প্রথম পদক্ষেপ আমাদের এই মানভুম।
উন্নত মানুষের পরিচিতির সবচেয়ে বড় প্রমাণ বহন করে তার মানসিক তথা বৈধকতা সুরুচি ও সূক্ষ্মতা। মানুষ যেদিন পারিপার্শ্বিকতাকে ভেবে নিজের ভেতরের দিক থেকে দেখতে শেখে, সেদিনই হয় সে দার্শনিক। এই মানভূমেই মানব সমাজকে উপহার দিয়েছিল এরূপ একজন বিদগ্ধ দার্শনিককে। সেই দার্শনিক ছিলেন মহর্ষি কপিল। তিনি চেয়েছিলেন সৃষ্টির রহস্যকে তলিয়ে ভাবতে। জগতের মূল কারণগুলি সংখ্যা তত্ত্বের কাঠামোর মধ্যে বেঁধে ফেলতে চেয়েছিলেন। কতখানি স্পর্ধা এবং কতখানি আত্মবিশ্বাস থাকলে মানুষ এটা করতে পারে যা আজকের পৃথিবীতে বসে তা ভাবা যায় না। মহর্ষি কপিল জন্ম নিয়েছিলেন মানভূমের ঝালদার কাছাকাছি পাটঝালদার নিকট কোন এক স্থানে। আত্ম জিজ্ঞাসা ও তার অভিজ্ঞতায় সিদ্ধি ঘটেছিল কপিসা নদীর মোহনায়, সাগর দ্বীপে।
ভাবের বীজ মনোজগতে অঙ্কুরিত হয়। তারপরে শেষ স্পন্দন জাগতে থাকে পরিচ্ছেদ বিহীন ভাবে মানসিকতার প্রতিটি অনুচ্ছেদে। ভাব জগত যখন বহির্জগত রূপ গ্রহণ করে তখন সে কেবল ভাষাতেই যে রূপান্তরিত হয়ে থাকে এমন কথা নয়। বহিঃপ্রকাশ ঘটে সুললিত কন্ঠে।মালভূমের জনগণের মনের আদান-প্রদানে তাদের কণ্ঠে সুললিত ঝুমুর গানের সৃষ্টি হয়। মানুষের সুখ দুঃখ আনন্দ বিষাদ সবকিছু নিয়ে কন্ঠে লালিত হতে থাকে ঝুমুরের বিস্তৃতি। তাই মানভূমের জল জঙ্গল নদী পাহাড় পর্বত প্রভৃতি প্রাকৃতিক পরিবেশে ঝুমুরের প্রভাব অপরিসীম।
আদিম জনজাতি মূলত অস্ট্রিক ও নিগ্রো সংমিশ্রনজাত। বিশুদ্ধ অস্ট্রিক ও বিশুদ্ধ নিগ্রো এই অঞ্চলে নেই।
মানভূমের আদি জনজাতিদের মধ্যে কুর্মী মাহাতোরা ছিল অগ্রগামী। এরাই সম্ভবতঃ বাঙালি জাতির আদি পুরুষ। এছাড়াও কোল, সাঁওতাল,মুন্ডা,শবর,খেড়িয়া ছিল মানভূমের আদিম জনজাতি। তাই অতি প্রাচীনকালে শৈব ধর্মের বিস্তৃতি কালে এরা ছিল শৈব ধর্মের উপাসক ছিল। এদের মধ্যে শৈব মতে বিবাহ এখনো প্রচলিত রয়েছে। তারা শিবলিঙ্গের পূজা করত। এই লিঙ্গ পূজার মধ্যে আধ্যাত্মিকতা ও জাগতিক প্রয়োজনের একটি সুন্দর বিমিশ্রন ছিল। গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে তখন চলতো পরিচ্ছেদহীন সংগ্রাম। সকল গোষ্ঠী নিজেদের সংখ্যা বাড়াতে চাইতো। তাই সংখ্যাবৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে তারা প্রথম লিঙ্গ পূজার প্রবর্তন করেছিল। পরবর্তীকালে মালভূমিতে এই লিঙ্গ পুজাকে আধ্যাত্মিকতায় উদ্বুদ্ধ করা হয়। এই লিঙ্গ পূজাই ছিল পৃথিবীর আদিমতম পূজা পদ্ধতি। সমাজতত্ত্ববিদরা এই লিঙ্গ পূজাকে ধর্মের পথে প্রথম পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তাই মানভুমের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই শিব মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। যেগুলির অধিকাংশ বয়স আড়াই হাজার থেকে ৭ হাজার বছরের পুরানো। এখনও দেখা যায় তাদের ব্রতকথায় ঘুরে ফিরে কেবল এই শিবের মাহাত্ম্য প্রচারিত। এতদ্অঞ্চলের চড়ক,গাজন ও বোলান উৎসব সম্পূর্ণই ছিল শিবকেন্দ্রিক।
পরবর্তীকালে মানভূমের ধর্ম জীবনে প্রবেশ ঘটে বৌদ্ধ কিম্বা জৈন ধর্মের। মানভূমের স্থানে স্থানে জৈন দৈউল গুলি কালের ভ্রুকুটি কে অস্বীকার করে আজও দাঁড়িয়ে থাকলেও এই অঞ্চলের মৃত্তিকা অতি কঠিন বলে এখানকার শৈব ধর্মের ভিত্তিও ছিল বজ্রদৃঢ়। তাই কালের প্রবাহ পেরিয়ে শৈব ধর্ম আজ পর্যন্ত অটুট থেকে গেল।
পরিশেষে বলা যায়,পুরুলিয়া জেলা প্রাগৈতিহাসিক এবং প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সাম্প্রতিক গবেষণায় এই অঞ্চলে মানব সভ্যতার আদিমতম অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা এই জেলাকে বাংলার ইতিহাসে অনন্য করে তুলেছে।
প্রাগৈতিহাসিক পুরুলিয়ার কিছু মূল তথ্য উপস্থাপন করা যায়।তারমধ্যে মানব বসতির প্রাচীন প্রমাণ এই অঞ্চলে বিদ্যমান। পুরুলিয়ার কানাপাহাড় এলাকায় উচ্চ-প্রস্তর যুগের (Upper Paleolithic) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে, যা প্রায় ৪২,০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। এটি নির্দেশ করে যে, আধুনিক মানুষের পূর্বপুরুষরা অনেক আগে থেকেই এই অঞ্চলে বসবাস করত।
মাইক্রোলিথ বা ক্ষুদ্রাশ্ম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে বেগুনকোদর এবং ঝালদা শহরের কাছে অনেক মাইক্রোলিথ বা ক্ষুদ্র পাথরের হাতিয়ার পাওয়া গেছে, যা আদিম মানুষের শিকার ও জীবনযাত্রার পরিচয় বহন করে।
ডাইনোসরের জীবাশ্মের সম্ভাবনা এই অঞ্চলের প্রাচীনত্বের সাক্ষ্য বহন করে। সাম্প্রতিককালে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের আশেপাশে প্রাগৈতিহাসিক যুগের ডাইনোসরের অস্থি বা জীবাশ্ম পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা এই অঞ্চলটিকে নতুন করে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
বৈচিত্র্যময় প্রত্নস্থল রূপে কুমারী অববাহিকার অন্তর্গত কানাপাহাড় ছাড়াও এই জেলায় আরও অনেক স্থানে প্রস্তর যুগের সভ্যতার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ঐতিহাসিক সংযোগ দেখতে হলে প্রাগৈতিহাসিক যুগের পর, এই অঞ্চল ঐতিহাসিক যুগে জৈন ও হিন্দু সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। দেউলঘাটা,পাকবিড়রা,হরপতোড় এদের মধ্যে অন্যতম। মানভূম অঞ্চল (বর্তমান পুরুলিয়া) প্রাচীনকালে বজ্রভূমি নামে পরিচিত ছিল।
মধুকবির অনুভবে 'পাষাণময় দেশ'-এর আপাত খরা-দারিদ্রের মর্মান্তিক অভিযোগপর্দা সরিয়ে সহজ-সুন্দরী পুরুলিয়াকে দু'চোখ ভরে দেখা নয়, ভালোবাসার বন্ধনে -এই প্রান্তিক বাংলার নয়নাভিরাম নীলাভ শৈলশ্রেণী, আরণ্যক স্নিগ্ধ শ্যামলিমা, রুক্ষ-ঊষর লালমাটি-বুকে বিচিত্র রুপোলি রেখায় প্রাণপ্রবাহিনী নদী-ঝর্ণা কিংবা স্তব্ধ গভীর জলের বাঁধ-পুষ্পরিণী আর মৌণমুখর পুরাকীর্তিমালা, ছন্দোময় নৃত্য-সংগীতের মাঝে লোকসংস্কৃতির প্রাণোচ্ছল প্রবাহ এবং দুষ্প্রাপ্য বনজ তথা খনিজ সম্পদের বর্ণময়ী মহিমায় অনন্যা পুরুলিয়া। সেইসঙ্গে আবহমানকালের বঙ্কিম ছন্দে, এ অঞ্চলের মানুষ অতি প্রাচীনকাল থেকেই কীভাবে অস্তিত্ব-অধিকার ও মর্যাদারক্ষায় আনুপূর্বিক প্রচেষ্টায় প্রোজ্জ্বল। ফলে, তথাকথিত 'সবার পিছে সবার নীচে সবহারাদের মাঝে' থেকেও প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যে, খনিজ সম্পদে, শিল্পসংস্কৃতিতে ঐশ্বর্যশালিনী পুরুলিয়ার সামগ্রিক রূপের আদলটি লেখার ভাষায় চিত্রিত করার সংকল্পে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করি।
তাই মানব ইতিহাসের ঊষা কাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত যে সামগ্রিক সভ্যতা গড়গড়িয়ে এগিয়ে চলেছে সেই সভ্যতা বিকাশে মানভূমের ঋণকে অস্বীকার করা যায় না।
তথ্য ঋণ :--১| সভ্যতার আদি বিন্দু রাঢ় , প্রভাত রঞ্জন সরকার।
২| অহল্যা ভূমি পুরুলিয়া, ড. দেবী প্রসাদ জানা
0 Comments.