- 8
- 0
সূর্য
মহাকাশে অসংখ্য তারার মধ্যে সূর্য একটি তারা। সূর্যের মধ্যে যেসব গ্যাসীয় উপাদান আছে। তা পৃথিবীতেও আছে। যেমন - প্লাটিনাম, সীসা ও রূপা। এগুলো গ্যাসীয় অবস্থায় আছে। কিন্তু এইসব উপাদানের থেকে , দশ হাজার গুণ বেশি আছে - হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস। অন্য
তারাদের মত সূর্য চাঞ্চল্যে ভরপুর। সূর্যের সমস্ত উপাদান টগবগ করে ফুটছে। মুহূর্তের মধ্যে ফুঁসে ফুঁসে উঠছে। উপাদান গুলি খাড়া হয়ে উপরে উঠছে। লক্ষ লক্ষ মাইল তার উচ্চতা। সেখান থেকে ঝরে পড়ছে লক্ষ লক্ষ ফোয়ারা। কোটি কোটি ফুলকি। মাঝে মাঝে তা বিশেষ আকার নেয়। কখনো হিংস্র অতিকায় জানোয়ার থাবা তুলে হেঁটে বেড়াচ্ছে। বিশাল হা করে দাঁড়াচ্ছে। সেই হায়ের মধ্যে সমস্ত পৃথিবী ঢুকে যাবে। মুহূর্তের মধ্যে জানোয়ার আকৃতিটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। চারিদিকে আগুন আর আগুন । বা হাইড্রোজেন,হিলিয়াম গ্যাস। সামান্য প্লাটিনাম, সীসা,রূপা ইত্যাদি। এই আগুনের উত্তাপ দু কোটি ডিগ্রী । সবসময় চাইছে - তার প্রচণ্ডতাকে বাড়াতে। কিন্তু পারে না। কারণ সূর্যের দু কোটি ডিগ্রী তাপের সঙ্গে আছে - চার হাজার কোটি চাপের বল বা শক্তি। সূর্যের তাপ বা উত্তাপ চায় - আয়তন বাড়াতে। চাপের বল বা শক্তি চায় - আয়তন কমাতে। সূর্যের মধ্যে অনবরত চলছে - তাপ ও চাপের টানাটানি। ফলে সূর্যের বস্তুপিন্ড খুব বেশি বাড়তে পারে না। আবার কমতেও পারে না। মহাকাশের চারপাশ থেকে অফুরন্ত শক্তির কণা তরঙ্গ আকারে প্রবেশ করছে। সূর্যের মত কোটি কোটি সূর্য বা তারাকে শক্তি যোগাবার জন্য। অবিরাম এই প্রবেশের দৃশ্য - পৃথিবীতে দেখা কোনো দৃশ্যের সঙ্গে তুলনা করা চলে না ।
0 Comments.