- 35
- 0
সম্পাদকীয় :
গ্রীষ্ম কাল বললেই আমার ইস্কুলের সেই ক্লাস টু থ্রি বেলার ঘামে ভেজা হুল্লোড়ের দিন মনে পড়ে যায়।
আর তারপরেই গরমের ছুটি নামক লোভের বস্তুটি।
ছুটি শেষ হলে, সেইটাই আবার রচনা আর হোম টাস্ক হয়ে ফিরে আসে।
ওহো, ছোটো বেলার কত রকম মুশকিল যে।
তাও।
গরমের ছুটি : ইকুয়াল টু, মামাবাড়ি, সকালে আম দুধ কলা দিয়ে জলখাবার, ওকে ব্রেকফাস্ট বললে ঠাকুর ও ওপর থেকে হাত বাড়িয়ে ঠাঁই করে চাঁটা দেবেন মাথায়। আবার ঠাকুর ঘরে টুং টুং করে ঘন্টার আওয়াজ, প্রসাদ নিতে দৌড়। সাজি হাতে নিজেদের, আশপাশের বাড়ি থেকে ফুল তুলে আনার কম্পিটিশন সব ভাইবোনেদের মধ্যে। সে ফুলের কত রকম রঙ, কত বাহার।
গরমের কুটকুট কামড়, ঘামাচি , পোড়া নারাঙ্গার জ্বালা, ঘাম, এসব সত্ত্বেও, গরমের ছুটি, একটা স্বপ্ন।
এই বুড়ো বয়সে ও তাই ছুটিরই স্বপ্ন দেখি।
ভালো থাকুন সবাই, আম কাঁঠাল লিচু জামরুল আর গুলমোহর কৃষ্ণচূড়া মাধবীলতা জুঁইদের সঙ্গে নিয়ে।
ছুটি
ছুটে ছুটে আসি আর
ছুটে ছুটে ফিরে চলে যাই…
রোদ্দুর মশাই, এরকমই আমার ধরন।
জীবন নামের ঢেউয়ে
ঝড় আর ঝঞ্জায় সন্তরণ
এরকমই।
ছোটো থেকে বড়ো বেলা
এতো ছুটোছুটি।
চারিদিকে নানান ভ্রুকুটি
ভ্রুক্ষেপ বিহীন ভাবে
পিছে ফেলে যাই।
কেবল শৈত্যকে ভয় পাই,
তাই,
একান্ত উষ্ণতা খুঁজে চলি।
পাপড়িতে উত্তাপ দিতে বলি
কুঁড়ি ফুটে কোকনদ ভেবে।
অকাল বোধনে কে যে দেবে
নয়ন পলাশ দৃষ্টি,
শেষ উপহার,
হৃদয় দরজায় থাকে
শব্দহীন অপেক্ষায় তার।
0 Comments.