- 17
- 0
রিপোর্টার ও আসাম
রিপোর্টার জিজ্ঞেস করলো, শুনেছি তুমি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র, এরকম খুনি হয়ে গেলে কিভাবে! তোমাকে দেখে তো মনেই হয়না তুমি একাজ করতে পারো!
আসামী চোখটা একটু ছোট করে বললো, আপনাকে দেখে কি বোঝা যায় ইয়েলো জার্নালিজমের দৌলতে আপনার পকেট ফুলেফেঁপে উঠেছে!
রিপোর্টার জানে তার রাগলে চলবেনা, হেডলাইন তৈরির দায়িত্ব তার।
পরের কথায় যায়, তুমি জানো আমাদের পেপারের সার্কুলেশন কত! আসামীর জবাব, হবেনা কেন, নিউজপেপার তো এখন টিস্যুপেপার হিসেবে ইউজ হয়, তাই সার্কুলেশন বেড়ে গেছে।
রিপোর্টারের পরের প্রশ্ন এরকম সিরিয়াল কিলার হলে কিভাবে, তুমি কি প্লট তৈরি করে নিতে! আসামী বললো, একেবারে আপনার ছক, যেরকম সিরিয়ালি স্ক্রিপ্ট বানিয়ে আপনারা খবর বেচেন, সবই তো মোটামুটি আপনারা তৈরি করে নেন।
আচ্ছা, শুনেছি তুমি গলা টিপে খুনগুলো করতে, তা কিভাবে! তোমার হাত কাঁপতো না! আসামীর উত্তর, আরেকটু কাছে আসুন প্র্যাকটিকাল ক্লাসটা করে ফেলি। রিপোর্টারের মুখ শুকিয়ে আমসি।
জেলের বাইরে বেরিয়ে ফটোগ্রাফার বন্ধুকে বললো, কিছু স্কুপ তো জোগাড় করতে পারলাম না, হেব্বি টেঁটিয়া! এডিটরকে কি বলবো, কাল হেডলাইনের ব্যাপারটা কি হবে! কথায় কথায় খেয়াল করেনি সামনে গোবর, পা স্লিপ করে পপাত ধরণীতলে।
ফটোগ্রাফার সঙ্গে সঙ্গে শট নিয়ে বলে উঠলো, কালকের হেডলাইন 'খবর গোবরে'...
রিপোর্টারের মুখের চেহারা বর্ণনা করা গেলনা।
0 Comments.