- 6
- 0
ধামাকা
চ্যাপ্টার ওয়ান : ফেসবুক শোয়িং
চ্যাপ্টার টু : ফ্রেন্ড রিকু গোয়িং
চ্যাপ্টার থ্রি : হোয়াটস'অ্যাপ চ্যাটিং
চ্যাপ্টার ফোর : নেক্সট ডেটিং
আপাততঃ ওয়েটিং...
চারটে দশ। এখনও কুড়ি মিনিট বাকি।
অরণি অস্থির হয়ে যাচ্ছিল, হার্টবিটের শব্দটাও যেন শুনতে পাচ্ছে। ঘড়িটা শ্লো নয়তো! সময়টা যেন থমকে আছে, এগোচ্ছেই না।
সাড়ে চারটে। এটাই টাইম ছিল। লংস্কার্ট আর শর্ট কুর্তি মানে কোমর আর পেটের কাছে বেশ খানিকটা উন্মুক্ত। অরণির চোখটা ওখানেই আটকে গেল। মুঠোয় ধরা যায় এমন কোমর! এতো একদম টিন টিন লাগছে। মানে উনত্রিশ না উনিশ, বোঝা ভগবানেরও অসাধ্য।
হঠাৎ কানে এল, হাই আমি মানালি বোস, তুমি অরণি চ্যাটার্জি তো! অরণি খানিকটা ভেবলে.... হ্যাঁ... হ্যাঁ...
ওরা মণিস্কোয়ারের তিনতলায় দাঁড়িয়ে ।অরণি কিছু বলতে গেল, তখনই... মাম্মা...
বছর আড়াইয়ের একটা কুচিমুচি এসে মানালির স্কার্ট ধরে টানলো। মিষ্টি হেসে... আমার মেয়ে নীলাভা। অরণি পুরো সাইনবোর্ড হতে হতে কানের পাশে শুনতে পেল...
দেখিয়ে সন্তুর সাবুন কে কামাল
জওয়ানীকে কেয়া ধামাল...
টিং টং
0 Comments.