- 6
- 0
সংকটে অস্তিত্ব
দাবদাহের বিষম জ্বালায় প্রচ্ছায়া খুঁজি
কিন্তু চিরশ্যামল বৃক্ষ কই?
চতুর্দিকে চেয়ে দেখি বাদাবণে অঙ্কুরিত ইমারত আর ইমারত।
আর নেই যশস্বী সুন্দরীর সৌন্দর্যের অপরূপা।
কারবারির রাজত্বে নেই কোনো করুণা।
নিষ্পাপ সতেজ ভ্রুণ চায় বাঁচতে!
হতে চায় মায়ের মত অনুপম বৃহৎ কল্পতরু...
বর্ণময় বিন্যস্ত আবাসনে ভ্রমণার্থীর ভিড়।
উচ্ছল তরঙ্গিনীর হৃদপিন্ডে প্লাস্টিকের আচ্ছাদন...
ম্যানগ্রোভ কে বাঁচাতে চাই!
স্লোগানের আড়ালে সেলফির আদিখ্যেতা।
অট্টালিকার বিন্যস্ত নিঃশেষিত আসবাবপত্র দেখিয়ে বলি দেখো দেখো...
হত্যাকারীর পাষাণ হৃদয় অঙ্গনে বাজে কি
সুন্দরীর মর্মভেদী কান্নার স্বর?
প্রলয় আসে, পল্লীগ্রাম ভাসে, আবাস ভাঙে, গবাদি মরে, অভাবীর হৃদয় কাঁদে।
ম্যানগ্রোভ এর অঙ্গ ভাঙে।
উচ্ছ্বাসী গাঙ উন্মাদে ছোটে অচেনা সীমায়।
প্রকৃতির বৃক্কের কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ, লবণাক্তের কোলে বসে অরণ্যের জন্তুরক্ত শোষণ...
প্রজন্ম আসবে, প্রজন্ম যাবে, কিন্তু সহস্র শতাব্দী পরে হবে কি সুন্দরীর ক্ষত পূরন?
0 Comments.